কেন সারা দিন ধীরে ধীরে বালু নিয়ে শুধু খেলো তীরে॥ চলে গেল বেলা, রেখে মিছে খেলা ঝাঁপ দিয়ে পড়ো কালো নীরে। অকূল ছানিয়ে যা পাও তা নিয়ে হেসে কেঁদে চলো ঘরে ফিরে॥ নাহি জানি মনে কী বাসিয়া পথে বসে আছে কে আসিয়া। কী কুসুমবাসে ফাগুনবাতাসে হৃদয় দিতেছে উদাসিয়া। চল্ ওরে এই খ্যাপা বাতাসেই সাথে নিয়ে সেই উদাসীরে॥
সে যে মনের মানুষ, কেন তারে বসিয়ে রাখিস নয়নদ্বারে? ডাক্-না রে তোর বুকের ভিতর, নয়ন ভাসুক নয়নধারে ॥ যখন নিভবে আলো, আসবে রাতি, হৃদয়ে দিস আসন পাতি-- আসবে সে যে সঙ্গোপনে বিচ্ছেদেরই অন্ধকারে ॥ তার আসা-যাওয়ার গোপন পথে সে আসবে যাবে আপন মতে। তারে বাঁধবে ব'লে যেই করো পণ সে থাকে না, থাকে বাঁধন-- সেই বাঁধনে মনে মনে বাঁধিস কেবল আপনারে ॥