গভীর রাতে ভক্তিভরে কে জাগে আজ, কে জাগে। সপ্ত ভুবন আলো করে লক্ষ্মী আসেন, কে জাগে। ষোলো কলায় পূর্ণ শশী, নিশার আঁধার গেছে খসি– একলা ঘরের দুয়ার-’পরে কে জাগে আজ, কে জাগে। ভরেছ কি ফুলের সাজি। পেতেছ কি আসন আজি। সাজিয়ে অর্ঘ্য পূজার তরে কে জাগে আজ, কে জাগে। আজ যদি রোস্ ঘুমে মগন চলে যাবে শুভলগন, লক্ষ্মী এসে যাবেন স’রে– কে জাগে আজ কে জাগে।।
আমার নয়ন তব নয়নের নিবিড় ছায়ায় মনের কথার কুসুমকোরক খোঁজে সেথায় কখন অগম গোপন গহন মায়ায় পথ হারাইল ও যে॥ আতুর দিঠিতে শুধায় সে নীরবেরে-- নিভৃত বাণীর সন্ধান নাই যে রে; অজানার মাঝে অবুঝের মতো ফেরে অশ্রুধারায় মজে॥ আমার হৃদয়ে যে কথা লুকানো তার আভাষণ ফেলে কভু ছায়া তোমার হৃদয়তলে? দুয়ারে এঁকেছি রক্ত রেখায় পদ্ম-আসন, সে তোমারে কিছু বলে? তব কুঞ্জের পথ দিয়ে যেতে যেতে বাতাসে বাতাসে ব্যথা দিই মোর পেতে-- বাঁশি কী আশায় ভাষা দেয় আকাশেতে সে কি কেহ নাহি বোঝে॥