ভালোবাসিলে যদি সে ভালো না বাসে কেন সে দেখা দিল । মধু অধরের মধুর হাসি প্রাণে কেন বরষিল । দাঁড়িয়ে ছিলেম পথের ধারে, সহসা দেখিলেম তারে— নয়ন দুটি তুলে কেন মুখের পানে চেয়ে গেল ।।
হাটের ধুলা সয় না যে আর, কাতর করে প্রাণ। তোমার সুরসুরধুনীর ধারায় করাও আমায় ম্লান॥ জাগাক তারি মৃদঙ্গরোল, রক্তে তুলুক তরঙ্গদোল, অঙ্গ হতে ফেলুক ধুয়ে সকল অসম্মান-- সব কোলাহল দিক্ ডুবায়ে তাহার কলতান॥ সুন্দর হে, তোমার ফুলে গেঁথেছিলেম মালা-- সেই কথা আজ মনে করাও, ভুলাও সকল জ্বালা। তোমার গানের পদ্মবনে আবার ডাকো নিমন্ত্রণে-- তারি গোপন সুধাকণা আবার করাও পান, তারি রেণুর তিলকলেখা আমায় করো দান॥