যখনি যেমনি হোক জিতেনের মর্জি কথায় কথায় তার লাগে আশ্চর্যি। অডিটর ছিল জিতু হিসাবেতে টঙ্ক, আপিসে মেলাতেছিল বজেটের অঙ্ক; শুনলে সে, গেছে দেশে রামদীন দর্জি, শুনতে না-শুনতেই বলে 'আশ্চর্যি'। যে দোকানি গাড়ি তাকে করেছিল বিক্রি কিছুতে দাম না পেয়ে করেছে সে ডিক্রি, বিস্তর ভেবে জিতু উঠল সে গর্জি-- 'ভারি আশ্চর্যি'। শুনলে, জামাইবাড়ি ছিল বুড়ি ঝিনাদায়, ছ বছর মেলেরিয়া ভুগে ভুগে চিনা দায়, সেদিন মরেছে শেষে পুরোনো সে ওর ঝি, জিতেন চশমা খুলে বলে 'আশ্চর্যি'।
দুঃখ যদি না পাবে তো দুঃখ তোমার ঘুচবে কবে? বিষকে বিষের দাহ দিয়ে দহন করে মারতে হবে। জ্বলতে দে তোর আগুনটারে, ভয় কিছু না করিস তারে, ছাই হয়ে সে নিভবে যখন জ্বলবে না আর কভু তবে। এড়িয়ে তাঁরে পালাস না রে ধরা দিতে হোস না কাতর। দীর্ঘ পথে ছুটে কেবল দীর্ঘ করিস দুঃখটা তোর মরতে মরতে মরণটারে শেষ করে দে একেবারে, তার পরে সেই জীবন এসে আপন আসন আপনি লবে।