×
Home
Artists
Verses
Songs
Novels
Stories
Plays
Essays
Others
Login
Login
×
Login
Signup
Email
Password
Forgot your password?
Log in
Or Continue With
Login With
Name
Email
Password
Confirm Password
Register
Or Continue With
Signup With
Home
Verses
স্ফুলিঙ্গ - অপ্রচলিত সংগ্রহ
৪০
৪০ (bhorer belay je jon pathale)
ভোরের বেলায় যে জন পাঠালে রঙিন মেঘের পাঁতি
আজ সে কি সাড়া দিয়েছে তোমায় শুভ্র আলোর সাথী।
Rendition
Related Topics
হরপণ্ডিত বলে
Verses
হরপণ্ডিত বলে, 'ব্যঞ্জন সন্ধি এ,
পড়ো দেখি, মনুবাবা, একটুকু মন নিয়ে।'
মনোযোগহন্ত্রীর
বেড়ি আর খন্তির
ঝংকার মনে পড়ে; হেঁসেলের পন্থার
ব্যঞ্জন-চিন্তায় অস্থির মন তার।
থেকে থেকে জল পড়ে চক্ষুর কোণ দিয়ে।
আরো দেখুন
15
Verses
মাধব, না কহ আদরবাণী,
না কর প্রেমক নাম।
জানয়ি মুঝকো অবলা সরলা
ছলনা না কর শ্যাম।
কপট, কাহ তুঁহু ঝূট বোলসি,
পীরিত করসি তু মোয়?
ভালে ভালে হম অলপে চিহ্ননু,
না পতিয়াব রে তোয়।
ছিদল তরীসম কপট প্রেম'পর
ডারনু যব মনপ্রাণ,
ডুবনু ডুবনু রে ঘোর সায়রে
অব কুত নাহিক ত্রাণ।
মাধব, কঠোর বাত হমারা
মনে লাগল কি তোর?
মাধব, কাহ তু মলিন করলি মুখ,
ক্ষমহ গো কুবচন মোর!
নিদয় বাত অব কবহুঁ ন বোলব,
তুঁহু মম প্রাণক প্রাণ।
অতিশয় নির্মম ব্যথিনু হিয়া তব
ছোড়য়ি কুবচনবাণ
মিটল মান অব -- ভানু হাসতহি
হেরই পীরিতলীলা।
কভু অভিমানিনী, আদরিণী কভু
পীরিতিসাগর বালা।
আরো দেখুন
পদ্মায়
Verses
আমার নৌকো বাঁধা ছিল পদ্মানদীর পারে,
হাঁসের পাঁতি উড়ে যেত মেঘের ধারে ধারে--
জানিনে মন-কেমন-করা লাগত কী সুর হাওয়ার
আকাশ বেয়ে দূর দেশেতে উদাস হয়ে যাওয়ার।
কী জানি সেই দিনগুলি সব কোন্ আঁকিয়ের লেখা,
ঝিকিমিকি সোনার রঙে হালকা তুলির রেখা।
বালির 'পরে বয়ে যেত স্বচ্ছ নদীর জল,
তেমনি বইত তীরে তীরে গাঁয়ের কোলাহল--
ঘাটের কাছে, মাঠের ধারে, আলো-ছায়ার স্রোতে;
অলস দিনের উড়্নিখানার পরশ আকাশ হতে
বুলিয়ে যেত মায়ার মন্ত্র আমার দেহে-মনে।
তারই মধ্যে আসত ক্ষণে ক্ষণে
দূর কোকিলের সুর,
মধুর হত আশ্বিনে রোদ্দুর।
পাশ দিয়ে সব নৌকো বড়ো বড়ো
পরদেশিয়া নানা খেতের ফসল ক'রে জড়ো
পশ্চিমে হাট বাজার হতে, জানিনে তার নাম,
পেরিয়ে আসত ধীর গমনে গ্রামের পরে গ্রাম
ঝপ্ঝপিয়ে দাঁড়ে।
খোরাক কিনতে নামত দাঁড়ি ছায়ানিবিড় পাড়ে।
যখন হত দিনের অবসান
গ্রামের ঘাটে বাজিয়ে মাদল গাইত হোলির গান।
ক্রমে রাত্রি নিবিড় হয়ে নৌকো ফেলত ঢেকে,
একটি কেবল দীপের আলো জ্বলত ভিতর থেকে।
শিকলে আর স্রোতে মিলে চলত টানের শব্দ;
স্বপ্নে যেন ব'কে উঠত রজনী নিস্তব্ধ।
পুবে হাওয়ায় এল ঋতু, আকাশ-জোড়া মেঘ;
ঘরমুখো ওই নৌকোগুলোয় লাগল অধীর বেগ।
ইলিশমাছ আর পাকা কাঁঠাল জমল পারের হাটে,
কেনাবেচার ভিড় লাগল নৌকো-বাঁধা ঘাটে।
ডিঙি বেয়ে পাটের আঁঠি আনছে ভারে ভারে,
মহাজনের দাঁড়িপাল্লা উঠল নদীর ধারে।
হাতে পয়সা এল, চাষি ভাব্না নাহি মানে,
কিনে নতুন ছাতা জুতো চলেছে ঘর-পানে।
পরদেশিয়া নৌকোগুলোর এল ফেরার দিন,
নিল ভরে খালি-করা কেরোসিনের টিন;
একটা পালের 'পরে ছোটো আরেকটা পাল তুলে
চলার বিপুল গর্বে তরীর বুক উঠেছে ফুলে।
মেঘ ডাকছে গুরু গুরু, থেমেছে দাঁড় বাওয়া,
ছুটছে ঘোলা জলের ধারা, বইছে বাদল হাওয়া।
আরো দেখুন
Please
Login
first to submit a rendition.
Click here
for help.