×
Home
Artists
Verses
Songs
Novels
Stories
Plays
Essays
Others
Login
Login
×
Login
Signup
Email
Password
Forgot your password?
Log in
Or Continue With
Login With
Name
Email
Password
Confirm Password
Register
Or Continue With
Signup With
Home
Verses
লেখন
লেখন
লেখন (10)
১০
১০
মাটির সুপ্তিবন্ধন হতে আনন্দ পায় ছাড়া,
ঝলকে ঝলকে পাতায় পাতায় ছুটে এসে দেয় নাড়া॥
Rendition
Related Topics
উৎসব
Verses
মোর অঙ্গে অঙ্গে যেন আজি বসন্ত-উদয়
কত পত্রপুষ্পময়।
যেন মধুপের মেলা
গুঞ্জরিছে সারাবেলা,
হেলাভরে করে খেলা
অলস মলয়।
ছায়া আলো অশ্রু হাসি
নৃত্য গীত বীণা বাঁশি,
যেন মোর অঙ্গে আসি
বসন্ত-উদয়
কত পত্রপুষ্পময়।
তাই মনে হয় আমি পরম সুন্দর,
আমি অমৃতনির্ঝর।
সুখসিক্ত নেত্র মম
শিশিরিত পুষ্পসম,
ওষ্ঠে হাসি নিরুপম
মাধুরীমন্থর।
মোর পুলকিত হিয়া
সর্বদেহে বিলসিয়া
বক্ষে উঠে বিকশিয়া
পরম সুন্দর,
নব অমৃতনির্ঝর।
ওগো, যে তুমি আমার মাঝে নূতন নবীন
সদা আছ নিশিদিন,
তুমি কি বসেছ আজি
নব বরবেশে সাজি,
কুন্তলে কুসুমরাজি,
অঙ্কে লয়ে বীন,
ভরিয়া আরতিথালা
জ্বালায়েছ দীপমালা,
সাজায়েছ পুষ্পডালা
নূতন নবীন--
আজি বসন্তের দিন।
ওগো তুমি কি উতলাসম বেড়াইছ ফিরে
মোর হৃদয়ের তীরে?
তোমারি কি চারিপাশ
কাঁপে শত অভিলাষ,
তোমারি কি পট্টবাস
উড়িছে সমীরে?
নব গান তব মুখে
ধ্বনিছে আমার বুকে,
উচ্ছ্বসিয়া সুখে দুখে
হৃদয়ের তীরে
তুমি বেড়াইছ ফিরে।
আজি তুমি কি দেখিছ এই শোভা রাশি রাশি
ওগো মনোবনবাসী।
আমার নিশ্বাসবায়
লাগিছে কি তব গায়,
বাসনার পুষ্প পায়
পড়িছে কি আসি।
উঠিছে কি কলতান
মর্মরগুঞ্জরগান,
তুমি কি করিছ পান
মোর সুধারাশি
ওগো মনোবনবাসী।
আজি এ উৎসবকলরব কেহ নাহি জানে,
শুধু আছে তাহা প্রাণে।
শুধু এ বক্ষের কাছে
কী জানি কাহারা নাচে,
সর্বদেহ মাতিয়াছে
শব্দহীন গানে।
যৌবনলাবণ্যধারা
অঙ্গে অঙ্গে পথহারা,
এ আনন্দ তুমি ছাড়া
কেহ নাহি জানে--
তুমি আছ মোর প্রাণে।
আরো দেখুন
107
Verses
তোমার মঙ্গলকার্য
তব ভৃত্য-পানে
অযাচিত যে প্রেমেরে
ডাক দিয়ে আনে,
যে অচিন্ত্য শক্তি দেয়,
যে অক্লান্ত প্রাণ,
সে তাহার প্রাপ্য নহে--
সে তোমারি দান।
আরো দেখুন
বিপাশা
Verses
মায়ামৃগী, নাই বা তুমি
পড়লে প্রেমের ফাঁদে।
ফাগুন-রাতে চোরা মেঘে
নাই হরিল চাঁদে।
বাঁধন-কাটা ভাব্না তোমার
হাওয়ায় পাখা মেলে,
দেহমনে চঞ্চলতার
নিত্য যে ঢেউ খেলে।
ঝরনা-ধারার মতো সদাই
মুক্ত তোমার গতি,
নাই বা নিলে তটের শরণ
তায় বা কিসের ক্ষতি।
শরৎপ্রাতের মেঘ যে তুমি
শুভ্র আলোয় ধোওয়া,
একটুখানি অরুণ-আভার
সোনার-হাসি-ছোঁওয়া।
শূন্য পথে মনোরথে
ফেরো আকাশ-পার,
বুকের মাঝে নাই বহিলে
অশ্রুজলের ভার।
এমনি করেই যাও খেলে যাও
অকারণের খেলা,
ছুটির স্রোতে যাক-না ভেসে
হালকা খুশির ভেলা।
পথে চাওয়ার ক্লান্তি কেন
নামবে আঁখির পাতে,
কাছের সোহাগ ছাড়বে কেন
দূরের দুরাশাতে।
তোমার পায়ের নূপুরখানি
বাজাক নিত্যকাল
অশোকবনের চিকন পাতার
চমক-আলোর তাল।
রাতের গায়ে পুলক দিয়ে
জোনাক যেমন জ্বলে
তেমনি তোমার খেয়ালগুলি
উড়ুক স্বপন-তলে।
যারা তোমার সঙ্গ-কাঙাল
বাইরে বেড়ায় ঘুরে--
ভিড় যেন না করে তোমার
মনের অন্তঃপুরে।
সরোবরের পদ্ম তুমি,
আপন চারি দিকে
মেলে রেখো তরল জলের
সরল বিঘ্নটিকে।
গন্ধ তোমার হোক-না সবার,
মনে রেখো তবু
বৃন্ত যেন চুরির ছুরি
নাগাল না পায় কভু।
আমার কথা শুধাও যদি--
চাবার তরেই চাই,
পাবার তরে চিত্তে আমার
ভাব্ না কিছুই নাই।
তোমার পানে নিবিড় টানের
বেদন-ভরা সুখ
মনকে আমার রাখে যেন
নিয়ত উৎসুক।
চাই না তোমায় ধরতে আমি
মোর বাসনায় ঢেকে,
আকাশ থেকেই গান গেয়ে যাও--
নয় খাঁচাটার থেকে।
আরো দেখুন
Please
Login
first to submit a rendition.
Click here
for help.