হে অন্তরের ধন, তুমি যে বিরহী, তোমার শূন্য এ ভবন ॥ আমার ঘরে তোমায় আমি একা রেখে দিলাম স্বামী-- কোথায় যে বাহিরে আমি ঘুরি সকল ক্ষণ ॥ হে অন্তরের ধন, এই বিরহে কাঁদে আমার নিখিল ভুবন। তোমার বাঁশি নানা সুরে আমায় খুঁজে বেড়ায় দূরে, পাগল হল বসন্তের এই দখিন-সমীরণ ॥
কোন্ খেলা যে খেলব কখন্ ভাবি বসে সেই কথাটাই-- তোমার আপন খেলার সাথি করো, তা হলে আর ভাবনা তো নাই ॥ শিশির-ভেজা সকালবেলা আজ কি তোমার ছুটির খেলা-- বর্ষণহীন মেঘের মেলা তার সনে মোর মনকে ভাসাই ॥ তোমার নিঠুর খেলা খেলবে যে দিন বাজবে সে দিন ভীষণ ভেরী-- ঘনাবে মেঘ, আঁধার হবে, কাঁদবে হাওয়া আকাশ ঘেরি। সে দিন যেন তোমার ডাকে ঘরের বাঁধন আর না থাকে-- অকাতরে পরানটাকে প্রলয়দোলায় দোলাতে চাই ॥