তোরা শুনিস নি কি শুনিস নি তার পায়ের ধ্বনি, ওই যে আসে, আসে, আসে। যুগে যুগে পলে পলে দিনরজনী সে যে আসে, আসে, আসে। গেয়েছি গান যখন যত আপন-মনে খ্যাপার মতো সকল সুরে বেজেছে তার আগমনী-- সে যে আসে, আসে, আসে॥ কত কালের ফাগুন-দিনে বনের পথে সে যে আসে, আসে, আসে। কত শ্রাবণ অন্ধকারে মেঘের রথে সে যে আসে, আসে, আসে। দুখের পরে পরম দুখে, তারি চরণ বাজে বুকে, সুখে কখন বুলিয়ে সে দেয় পরশমণি। সে যে আসে, আসে, আসে॥
ওগো দেবতা আমার, পাষাণদেবতা, হৃদিমন্দিরবাসী, তোমারি চরণে উজাড় করেছি সকল কুসুমরাশি। প্রভাত আমার সন্ধ্যা হইল, অন্ধ হইল আঁখি। এ পূজা কি তবে সবই বৃথা হবে। কেঁদে কি ফিরিবে দাসী। এবার প্রাণের সকল বাসনা সাজায়ে এনেছি থালি। আঁধার দেখিয়া আরতির তরে প্রদীপ এনেছি জ্বালি। এ দীপ যখন নিবিবে তখন কী রবে পূজার তরে। দুয়ার ধরিয়া দাঁড়ায়ে রহিব নয়নের জলে ভাসি।।