পুরি হতে পালিয়েছে যে পুরসুন্দরী কোথা তারে ধরি, কোথা তারে ধরি। রক্ষা রবে না, রক্ষা রবে না-- এমন ক্ষতি রাজার সবে না, রক্ষা রবে না। বন হতে কেন গেল অশোকমঞ্জরী ফাল্গুনের অঙ্গন শূন্য করি। ওরে কে তুই ভুলালি, তারে কে তুই ভুলালি-- ফিরিয়ে দে তারে মোদের বনের দুলালী, তারে কে তুই ভুলালি।
আমার নিকড়িয়া-রসের রসিক কানন ঘুরে ঘুরে নিকড়িয়া বাঁশের বাঁশি বাজায় মোহন সুরে । আমার ঘর বলে, ‘তুই কোথায় যাবি, বাইরে গিয়ে সব খোয়াবি !’ আমার প্রাণ বলে, ‘তোর যা আছে সব যাক্-না উড়ে পুড়ে ।’ ওগো, যায় যদি তো যাক্-না চুকে, সব হারাব হাসিমুখে– আমি এই চলেছি মরণসুধা নিতে পরান পূরে । ওগো, আপন যারা কাছে টানে এ রস তারা কেই বা জানে– আমার বাঁকা পথের বাঁকা সে যে ডাক দিয়েছে দূরে । এবার বাঁকার টানে সোজার বোঝা পড়ুক ভেঙে-চুরে।।