আমি এলেম তারি দ্বারে, ডাক দিলেম অন্ধকারে হা রে॥ আগল ধরে দিলেম নাড়া-- প্রহরে গেল, পাই নি সাড়া, দেখতে পেলেম না যে তা রে হা রে॥ তবে যাবার আগে এখান থেকে এই লিখনখানি যাব রেখে-- দেখা তোমার পাই বা না পাই দেখতে এলেম জেনো গো তাই, ফিরে যাই সুদূরের পারে হা রে॥
কার যেন এই মনের বেদন চৈত্রমাসের উতল হাওয়ায়, ঝুমকোলতার চিকন পাতা কাঁপে রে কার চম্কে-চাওয়ায়॥ হারিয়ে-যাওয়া কার সে বাণী কার সোহাগের স্মরণখানি আমের বোলের গন্ধে মিশে কাননকে আজ কান্না পাওয়ায়॥ কাঁকন-দুটির রিনিঝিনি কার বা এখন মনে আছে। সেই কাঁকনের ঝিকিমিকি পিয়ালবনের শাখায় নাচে। যার চোখের ওই আভাস দোলে নদী-ঢেউয়ের কোলে কোলে তার সাথে মোর দেখা ছিল সেই সেকালের তরী-বাওয়ায়॥