আজ আসবে শ্যাম গোকুলে ফিরে। আবার বাজবে বাঁশি যমুনাতীরে আমরা কী করব। কী বেশ ধরব। কী মালা পড়ব। বাঁচব কি মরব সুখে। কী তারে বলব ! কথা কি রবে মুখে। শুধু তার মুখপানে চেয়ে চেয়ে দাঁড়ায়ে ভাসব নয়ননীরে।।
ওরে, নূতন যুগের ভোরে দিস নে সময় কাটিয়ে বৃথা সময় বিচার করে ॥ কী রবে আর কী রবে না, কী হবে আর কী হবে না ওরে হিসাবি, এ সংশয়ের মাঝে কি তোর ভাবনা মিশাবি?। যেমন করে ঝর্না নামে দুর্গম পর্বতে নির্ভাবনায় ঝাঁপ দিয়ে পড় অজাজিতের পথে। জাগবে ততই শক্তি যতই হানবে তোরে মানা, অজানাকে বশ ক'রে তুই করবি আপন জানা। চলায় চলায় বাজবে জয়ের ভেরী-- পায়ের বেগেই পথ কেটে যায়, করিস নে আর দেরি ॥
আর নহে, আর নহে। বসন্তবাতাস কেন আর শুষ্ক ফুলে বহে। লগ্ন গেল বয়ে, সকল আশা লয়ে— এ কোন্ প্রদীপ জ্বালো! এ-যে বক্ষ আমার দহে। আমার কানন মরু হল— আজ এই সন্ধ্যা-অন্ধকারে সেথায় কী ফুল তোলো। কাহার ভাগ্য হতে বরণমালা হরণ করো— ভাঙা ডালি ভরো। মিলনমালার কন্টকভার কন্ঠে কি আর সহে॥