IN THE NIGHT of weariness let me give myself up to sleep without struggle, resting my trust upon thee. Let me not force my flagging spirit into a poor preparation for thy worship. It is thou who drawest the veil of night upon the tired eyes of the day to renew its sight in a fresher gladness of awakening.
নিভৃত এ চিত্তমাঝে নিমেষে নিমেষে বাজে জগতের তরঙ্গ-আঘাত, ধ্বনিত হৃদয়ে তাই মুহূর্ত বিরাম নাই নিদ্রাহীন সারা দিন রাত। সুখ দুঃখ গীতস্বর ফুটিতেছে নিরন্তর-- ধ্বনি শুধু, সাথে নাই ভাষা। বিচিত্র সে কলরোলে ব্যাকুল করিয়া তোলে জাগাইয়া বিচিত্র দুরাশা। এ চিরজীবন তাই আর কিছু কাজ নাই রচি শুধু অসীমের সীমা। আশা দিয়ে, ভাষা দিয়ে, তাহে ভালোবাসা দিয়ে গড়ে তুলি মানসী-প্রতিমা। বাহিরে পাঠায় বিশ্ব কত গন্ধ গান দৃশ্য সঙ্গীহারা সৌন্দর্যের বেশে, বিরহী সে ঘুরে ঘুরে ব্যথাভরা কত সুরে কাঁদে হৃদয়ের দ্বারে এসে। সেই মোহমন্ত্র-গানে কবির গভীর প্রাণে জেগে ওঠে বিরহী ভাবনা, ছাড়ি অন্তঃপুরবাসে সলজ্জ চরণে আসে মূর্তিমতী মর্মের কামনা। অন্তরে বাহিরে সেই ব্যাকুলিত মিলনেই কবির একান্ত সুখোচ্ছ্বাস। সেই আনন্দমুহূর্তগুলি তব করে দিনু তুলি সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাণের প্রকাশ।
অনেক হল দেরি, আজো তবু দীর্ঘ পথের অন্ত নাহি হেরি। তখন ছিল দখিন হাওয়া আধ-ঘুমো আধ-জাগা, তখন ছিল সর্ষে-খেতে ফুলের আগুন লাগা, তখন আমি মালা গেঁথে পদ্মপাতায় ঢেকে পথে বাহির হয়েছিলেম রুদ্ধ কুটির থেকে। অনেক হল দেরি, আজো তবু দীর্ঘ পথের অন্ত নাহি হেরি। বসন্তের সে মালা আজ কি তেমন গন্ধ দেবে নবীন-সুধা-ঢালা? আজকে বহে পুবে বাতাস, মেঘে আকাশ জুড়ে-- ধানের খেতে ঢেউ উঠেছে নব-নবাঙ্কুরে। হাওয়ায় হাওয়ায় নাইকো রে হায় হালকা সে হিল্লোল, নাই বাগানে হাস্যে গানে পাগল গণ্ডগোল। অনেক হল দেরি, আজো তবু দীর্ঘ পথের অন্ত নাহি হেরি। হল কালের ভুল, পুবে হাওয়ায় ধরে দিলেম দখিন হাওয়ার ফুল। এখন এল অন্য সুরে অন্য গানের পালা, এখন গাঁথো অন্য ফুলে অন্য ছাঁদের মালা। বাজছে মেঘের গুরু গুরু, বাদল ঝরো ঝরো-- সজল বায়ে কদম্ববন কাঁপছে থরোথরো। অনেক হল দেরি, আজো তবু দীর্ঘ পথের অন্ত নাহি হেরি।