×
Home
Artists
Verses
Songs
Novels
Stories
Plays
Essays
Others
Login
Login
×
Login
Signup
Email
Password
Forgot your password?
Log in
Or Continue With
Login With
Name
Email
Password
Confirm Password
Register
Or Continue With
Signup With
Home
Verses
Stray Birds
Stray Birds
Stray Birds (THE DAY, with the noise )
203
THE DAY, with the noise of this little earth, drowns the silence of all worlds.
Rendition
Related Topics
চলন্ত কলিকাতা
Verses
ইঁটের টোপর মাথায় পরা
শহর কলিকাতা
অটল হয়ে ব'সে আছে,
ইঁটের আসন পাতা।
ফাল্গুনে বয় বসন্তবায়,
না দেয় তারে নাড়া।
বৈশাখেতে ঝড়ের দিনে
ভিত রহে তার খাড়া।
শীতের হাওয়ায় থামগুলোতে
একটু না দেয় কাঁপন।
শীত বসন্তে সমান ভাবে
করে ঋতুযাপন।
অনেক দিনের কথা হ'ল
স্বপ্নে দেখেছিনু
হঠাৎ যেন চেঁচিয়ে উঠে
বললে আমায় বিনু
"চেয়ে দেখো', ছুটে দেখি
চৌকিখানা ছেড়ে--
কোল্কাতাটা চ'লে বেড়ায়
ইঁটের শরীর নেড়ে।
উঁচু ছাদে নিচু ছাদে
পাঁচিল-দেওয়া ছাদে
আকাশ যেন সওয়ার হ'য়ে
চড়েছে তার কাঁধে।
রাস্তা গলি যাচ্ছে চলি
অজগরের দল,
ট্র৻াম-গাড়ি তার পিঠে চেপে
করছে টলোমল।
দোকান বাজার ওঠে নামে
যেন ঝড়ের তরী,
চউরঙ্গীর মাঠখানা ওই
যাচ্ছে সরি সরি।
মনুমেণ্টে লেগেছে দোল,
উল্টিয়ে বা ফেলে--
খ্যাপা হাতির শুঁড়ের মতো
ডাইনে বাঁয়ে হেলে।
ইস্কুলেতে ছেলেরা সব
করতেছে হৈ হৈ,
অঙ্কের বই নৃত্য করে
ব্যাকরণের বই।
মেঝের 'পরে গড়িয়ে বেড়ায়
ইংরেজি বইখানা,
ম্যাপগুলো সব পাখির মতো
ঝাপট মারে ডানা।
ঘণ্টাখানা দুলে দুলে
ঢঙ্ ঢঙা ঢঙ্ বাজে--
দিন চ'লে যায়, কিছুতে সে
থামতে পারে না যে।
রান্নাঘরে কেঁদে বলে
রান্নাঘরের ঝি,
"লাউ কুম্ড়ো দৌড়ে বেড়ায়,
আমি করব কী!'
হাজার হাজার মানুষ চেঁচায়
"আরে, থামো থামো--
কোথা যেতে কোথায় যাবে,
কেমন এ পাগ্লামো!'
"আরে আরে, চলল কোথায়'
হাব্ড়ার ব্রিজ বলে,
"এইটুকু আর নড়লে আমি
পড়ব খ'সে জলে।'
বড়োবাজার মেছোবাজার
চিনেবাজার থেকে--
"স্থির হয়ে রও' "স্থির হয়ে রও'
বলে সবাই হেঁকে।
আমি ভাবছি যাক্-না কেন,
ভাব্না কিছুই নাই--
কোল্কাতা নয় দিল্লি যাবে
কিম্বা সে বোম্বাই।
হঠাৎ কিসের আওয়াজ হ'ল,
তন্দ্রা ভেঙে যায়--
তাকিয়ে দেখি কোল্কাতা সেই
আছে কোল্কাতায়।
আরো দেখুন
22
Verses
আশীর্বাদপত্রী
শ্রীমান প্রেমোৎপল
শ্রীমতী অমিয়া
বিকশি কল্যাণবৃন্তে যুগলের হিয়া
অন্তরে অমর হোক প্রেমের অমিয়া।
আরো দেখুন
মুক্তি
Verses
মুক্তি নানা মূর্তি ধরি দেখা দিতে আসে নানা জনে --
এক পন্থা নহে।
পরিপূর্ণতার সুধা নানা স্বাদে ভুবনে ভুবনে
নানা স্রোতে বহে।
সৃষ্টি মোর সৃষ্টি-সাথে মেলে যেথা, সেথা পাই ছাড়া,
মুক্তি যে আমারে তাই সংগীতের মাঝে দেয় সাড়া,
সেথা আমি খেলা-খ্যাপা বালকের মতো লক্ষ্মীছাড়া
লক্ষ্যহীন নগ্ন নিরুদ্দেশ।
সেথা মোর চির নব, সেথা মোর চিরন্তন শেষ।
মাঝে মাঝে গানে মোর সুর আসে যে সুরে, হে গুণী,
তোমারে চিনায়।
বেঁধে দিয়ো নিজহাতে সেই নিত্য সুরের ফাল্গুনী
আমার বীণায়।
তা হলে বুঝিব আমি ধূলি কোন্ ছন্দে হয় ফুল
বসন্তের ইন্দ্রজালে অরণ্যেরে করিয়া ব্যাকুল,
নব নব মায়াচ্ছায়া কোন্ নৃত্যে নিয়ত দোদুল
বর্ণ বর্ণ ঋতুর দোলায়।
তোমারি আপন সুর কোন্ তালে তোমারে ভোলায়।
যেদিন আমার গান মিলে যাবে তোমার গানের
সুরের ভঙ্গিতে
মুক্তির সংগমতীর্থ পাব আমি আমারি প্রাণের
আপন সংগীতে।
সেদিন বুঝিব মনে নাই নাই বস্তুর বন্ধন,
শূন্যে শূন্যে রূপ ধরে তোমারি এ বীণার স্পন্দন --
নেমে যাবে সব বোঝা, থেমে যাবে সকল ক্রন্দন,
ছন্দে তালে ভুলিব আপনা,
বিশ্বগীতপদ্মদলে স্তব্ধ হবে অশান্ত ভাবনা।
সঁপি দিব সুখ দুঃখ আশা ও নৈরাশ্য যত-কিছু
তব বীণাতারে --
ধরিবে গানের মূর্তি, একান্তে করিয়া মাথা নিচু
শুনিব তাহারে।
দেখিব তাদের যেথা ইন্দ্রধনু অকস্মাৎ ফুটে,
দিগন্তে বনের প্রান্তে উষার উত্তরী যেথা লুটে,
বিবাগী ফুলের গন্ধ মধ্যাহ্নে যেথায় যায় ছুটে --
নীড়ে-ধাওয়া পাখির ডানায়
সায়াহ্নগগন যেথা দিবসেরে বিদায় জানায়।
সেদিন আমার রক্তে শুনা যাবে দিবসরাত্রির
নৃত্যের নূপুর।
নক্ষত্র বাজাবে বক্ষে বংশীধ্বনি আকাশযাত্রীর
আলোকবেণুর।
সেদিন বিশ্বের তৃণ মোর অঙ্গে হবে রোমাঞ্চিত,
আমার হৃদয় হবে কিংশুকের রক্তিমালাঞ্ছিত;
সেদিন আমার মুক্তি, যবে হবে, হে চিরবাঞ্ছিত,
তোমার লীলায় মোর লীলা --
যেদিন তোমার সঙ্গে গীতরঙ্গে তালে তালে মিলা।
আরো দেখুন
Please
Login
first to submit a rendition.
Click here
for help.