ইঁটের গাদার নিচে ফটকের ঘড়িটা। ভাঙা দেয়ালের গায়ে হেলে-পড়া কড়িটা। পাঁচিলটা নেই, আছে কিছু ইঁট সুরকি। নেই দই সন্দেশ, আছে খই মুড়কি। ফাটা হুঁকো আছে হাতে, গেছে গড়গড়িটা। গলায় দেবার মতো বাকি আছে দড়িটা।
ছুঁয়ো না, ছুঁয়ো না ওরে, দাঁড়াও সরিয়া। ম্লান করিয়ো না আর মলিন পরশে। ওই দেখো তিলে তিলে যেতেছে মরিয়া, বাসনানিশ্বাস তব গরল বরষে। জান না কি হৃদি-মাঝে ফুটেছে যে ফুল ধুলায় ফেলিলে তারে ফুটিবে না আর। জান না কি সংসারের পাথার অকূল, জান না কি জীবনের পথ অন্ধকার। আপনি উঠেছে ওই তব ধ্রুবতারা, আপনি ফুটেছে ফুল বিধির কৃপায়, সাধ করে কে আজি রে হবে পথহারা-- সাধ করে এ কুসুম কে দলিবে পায়! যে প্রদীপ আলো দেবে তাহে ফেল শ্বাস, যারে ভালোবাস তারে করিছ বিনাশ!