প্রভু, তোমার বীণা যেমনি বাজে আঁধার-মাঝে অমনি ফোটে তারা। যেন সেই বীণাটি গভীর তানে আমার প্রাণে বাজে তেমনি ধারা। তখন নূতন সৃষ্টি প্রকাশ হবে কী গৌরবে হৃদয়-অন্ধকারে। তখন স্তরে স্তরে আলোকরাশি উঠবে ভাসি চিত্তগগনপারে। তখন তোমারি সৌন্দর্যছবি ওগো কবি আমায় পড়বে আঁকা- তখন বিস্ময়ের রবে না সীমা ওই মহিমা আর যাবে না ঢাকা। তখন তোমারি প্রসন্ন হাসি পড়বে আসি নবজীবন-'পরে। তখন আনন্দ-অমৃতে তব ধন্য হব চিরদিনের তরে।
বাঁশরি আনে আকাশ-বাণী- ধরণী আনমনে কিছু বা ভোলে কিছু বা আধো শোনে। নামিবে রবি অস্তপথে, গানের হবে শেষ-- তখন ফিরে ঘিরিবে তারে সুরের কিছু রেশ। অলস খনে কাঁপায় হাওয়া আধেকখানি-হারিয়ে-যাওয়া গুঞ্জরিত কথা, মিলিয়া প্রজাপতির সাথে রাঙিয়ে তোলে আলোছায়াতে দুইপহরে-রোদ-পোহানো গভীর নীরবতা। হল্দেরঙা-পাতায়-দোলা নাম-ভোলা ও বেদনা-ভোলা বিষাদ ছায়ারূপী ঘোমটা-পরা স্বপনময় দূরদিনের কী ভাষা কয় জানি না চুপিচুপি। জীবনে যারা স্মরণ-হারা তবু মরণ জানে না তারা, উদাসী তারা মর্মবাসী পড়ে না কভু চোখে-- প্রতিদিনের সুখ-দুখেরে অজানা হয়ে তারাই ঘেরে, বাষ্পছবি আঁকিয়া ফেরে প্রাণের মেঘলোকে।
MY HEART FEELS shy to bring to your vagrant mind the lyric of my secret lest its meaning be missed and its rhythm. I shall wait for some auspicious hour when the evening is compassionate, your eyes drowned in its tender dimness, and my voice reaches you in a profound calm of truth. I shall turn my secret round and round through my whisper at a lonely corner of your heart, even as the cricket among the silent sal trees turns single-toned beads of its chirping in the rosary of night.