×
Home
Artists
Verses
Songs
Novels
Stories
Plays
Essays
Others
Login
Login
×
Login
Signup
Email
Password
Forgot your password?
Log in
Or Continue With
Login With
Name
Email
Password
Confirm Password
Register
Or Continue With
Signup With
Home
Verses
Fireflies
206
206 (there are seekers)
THERE ARE seekers of wisdom and seekers of wealth,
I seek thy company so that I may sing.
Rendition
Related Topics
নুটু
Verses
রমাদেবীর মৃত্যু উপলক্ষে
ফাল্গুনের পূর্ণিমার আমন্ত্রণ পল্লবে পল্লবে
এখনই মুখর হল অধীর মর্মরকলরবে।
বৎসে, তুমি বৎসরে বৎসরে
সাড়া তারি দিতে মধুস্বরে,
আমাদের দূত হয়ে তোমার কণ্ঠের কলগান
উৎসবের পুষ্পাসনে বসন্তেরে করেছে আহ্বান।
নিষ্ঠুর শীতের দিনে গেলে তুমি রুগ্ণ তনু বয়ে
আমাদের সকলের উৎকণ্ঠিত আশীর্বাদ লয়ে।
আশা করেছিনু মনে মনে
নববসন্তের আগমনে
ফিরিয়া আসিবে যবে লবে আপনার চিরস্থান,
কাননলক্ষ্মীরে তুমি করিবে আনন্দ-অর্ঘ্যদান।
এবার দক্ষিণবায়ু দুঃখের নিশ্বাস এল বহে;
তুমি তো এলে না ফিরে; এ আশ্রম তোমার বিরহে
বীথিকার ছায়ার আলোকে
সুগভীর পরিব্যাপ্ত শোকে
কহিছে নির্বাকবাণী বৈরাগকরণ ক্লান্ত সুরে,
তাহারি রণনধ্বনি প্রান্তরে বাজিছে দূরে দূরে।
শিশুকাল হতে হেথা সুখে-দুঃখে-ভরা দিন-রাত
করেছে তোমার প্রাণে বিচিত্র বর্ণের রেখাপাত।
কাশের মঞ্জরী-শুভ্র দিশা,
নিস্তব্ধ মালতী-ঝরা নিশা,
প্রশান্ত শিউলি-ফোটা প্রভাত শিশিরে-ছলোছলো,
দিগন্ত-চমক-দেওয়া সূর্যাস্তের রশ্মি জ্বলোজ্বলো।
এখনো তেমনি হেথা আসিবে দিনের পর দিন,
তবুও সে আজ হতে চিরকাল রবে তুমি-হীন।
বসে আমাদের মাঝখানে
কভু যে তোমার গানে গানে
ভরিবে না সুখসন্ধ্যা, মনে হয়, অসম্ভব অতি--
বর্ষে বর্ষে দিনে দিনে প্রমাণ করিবে সেই ক্ষতি।
বারে বারে নিতে তুমি গীতিস্রোতে কবি-আশীর্বাণী,
তাহারে আপন পাত্রে প্রণামে ফিরায়ে দিতে আনি।
জীবনের দেওয়া-নেওয়া সেই
ঘুচিল অন্তিম নিমেষেই--
স্নেহোজ্জ্বল কল্যাণের সে সম্বন্ধ তোমার আমার
গানের নির্মাল্য-সাথে নিয়ে গেলে মরণের পার।
হায় হায়, এত প্রিয়, এতই দুর্লভ যে সঞ্চয়
একদিনে অকস্মাৎ তারও যে ঘটিতে পারে লয়!
হে অসীম, তব বক্ষোমাঝে
তার ব্যথা কিছুই না বাজে,
সৃষ্টির নেপথ্যে সেও আছে তব দৃষ্টির ছায়ায়--
স্তব্ধবীণা রঙ্গগৃহে মোরা বৃথা করি "হায় হায়'।
হে বৎসে, যা দিয়েছিলে আমাদের আনন্দভাণ্ডারে
তারি স্মৃতিরূপে তুমি বিরাজ করিবে চারিধারে।
আমাদের আশ্রম-উৎসব
যখনই জাগাবে গীতরব
তখনই তাহার মাঝে অশ্রুত তোমার কণ্ঠস্বর
অশ্রুর আভাস দিয়ে অভিষিক্ত করিবে অন্তর।
আরো দেখুন
219
Verses
রাতের বাদল মাতে
তমালের শাখে;
পাখির বাসায় এসে
"জাগো জাগো' ডাকে।
আরো দেখুন
প্রাণগঙ্গা
Verses
প্রতিদিন নদীস্রোতে পুষ্পপত্র করি অর্ঘ্য দান
পূজারির পূজা-অবসান।
আমিও তেমনি যত্নে মোর ডালি ভরি
গানের অঞ্জলি দান করি
প্রাণের জাহ্নবীজলধারে,
পূজি আমি তারে।
বিগলিত প্রেমের আনন্দবারি সে যে,
এসেছে বৈকুণ্ঠধাম ত্যেজে।
মৃত্যুঞ্জয় শিবের অসীম জটাজালে
ঘুরে ঘুরে কালে কালে
তপস্যার তাপ লেগে প্রবাহ পবিত্র হল তার।
কত-না যুগের পাপভার
নিঃশেষে ভাসায়ে দিল অতলের-মাঝে।
তরঙ্গে তরঙ্গে তার বাজে
ভবিষ্যের মঙ্গলসংগীত।
তটে তটে বাঁকে বাঁকে অনন্তের চলেছে ইঙ্গিত।
দৈবস্পর্শে তার
আমারে সে ধূলি হতে করিল উদ্ধার;
অঙ্গে অঙ্গে দিল তার তরঙ্গের দোল;
কণ্ঠে দিল আপন কল্লোল।
আলোকের নৃত্যে মোর চক্ষু দিল ভরি
বর্ণের লহরী।
খুলে গেল অনন্তের কালো উত্তরীয়;
কত রূপে দেখা দিল প্রিয়,
অনির্বচনীয়।
তাই মোর গান
কুসুম-অঞ্জলি-অর্ঘ্যদান
প্রাণজাহ্নবীরে।
তাহারি আবর্তে ফিরে ফিরে
এ পূজার কোনো ফুল নাও যদি ভাসে চিরদিন,
বিস্মৃতির তলে হয় লীন,
তবে তার লাগি, কহো,
কার সাথে আমার কলহ।
এই নীলাম্বরতলে তৃণরোমাঞ্চিত ধরণীতে
বসন্তে বর্ষায় গ্রীষ্মে শীতে
প্রতিদিবসের পূজা প্রতিদিন করি অবসান
ধন্য হয়ে ভেসে যাক গান।
আরো দেখুন
Please
Login
first to submit a rendition.
Click here
for help.