I DREAMT THAT she sat by my head, tenderly ruffling my hair with her fingers, playing the melody of her touch. I looked at her face and struggled with my tears, till the agony of unspoken words burst my sleep like a bubble. I sat up and saw the glow of the milky way above my window, like a world of silence on fire, and I wondered if at this moment she had a dream that rhymed with mine.
ওগো বৈতরণী, তরল খড়্গের মতো ধারা তব, নাই তার ধ্বনি, নাই তার তরঙ্গভঙ্গিমা; নাই রূপ, নাই স্পর্শ, ছন্দে তার নাই কোনো সীমা; অমাবস্যা রজনীর সুপ্তি সুগম্ভীর মৌনী প্রহরের মতো নিরাকার পদচারে শূন্যে শূন্যে ধায় অবিরত। প্রাণের অরণ্যতট হতে দণ্ড পল খসে খসে পড়ে তব অন্ধকারস্রোতে। রূপের না থাকে চিহ্ন, নাহি থাকে বর্ণের বর্ণনা, বাণীর না থাকে এক কণা। ওগো বৈতরণী, কতবার খেয়ার তরণী এসেছিল এই ঘাটে আমার এ বিশ্বের আলোতে। নিয়ে গেল কালহীন তোমার কালোতে কত মোর উৎসবের বাতি, আমার প্রাণের আশা, আমার গানের কত সাথি, দিবসেরে রিক্ত করি, তিক্ত করি, আমার রাত্রিরে। সেই হতে চিত্ত মোর নিয়েছে আশ্রয় তব তীরে। ওগো বৈতরণী, অদৃশ্যের উপকূলে থেমে গেছে যেথায় ধরণী সেথায় নির্জনে দেখি আমি আপনার মনে তোমার অরূপতলে সব রূপ পূর্ণ হয়ে ফুটে, সব গান দীপ্ত হয়ে উঠে শ্রবণের পরপারে তব নিঃশব্দের কণ্ঠহারে। যে সুন্দর বসেছিল মোর পাশে এসে ক্ষণিকের ক্ষীণ ছদ্মবেশে, যে চিরমধুর দ্রুতপদে চলে গেল নিমেষের বাজায়ে নূপুর প্রলয়ের অন্তরালে গাহে তারা অনন্তের সুর। চোখের জলের মতো একটি বর্ষণে যারা হয়ে গেছে গত, চিত্তের নিশীথ রাত্রে গাঁথে তারা নক্ষত্রমালিকা-- অনির্বাণ আলোকেতে সাজায় অক্ষয় দীপালিকা।
হায় রে তোরে রাখব ধরে, ভালোবাসা, মনে ছিল এই দুরাশা। পাথর দিয়ে ভিত্তি ফেঁদে বাসা যে তোর দিলেম বেঁধে, এল তুফান সর্বনাশা। মনে আমার ছিল যে রে ঘিরব তোরে হাসির ঘেরে-- চোখের জলে হল ভাসা। অনেক দুঃখে গেছে বোঝা বেঁধে রাখা নয় তো সোজা, সুখের ভিতে নহে তোমার অচল বাসা। এবার আমি সব-ফুরানো পথের শেষে বাঁধব বাসা মেঘের দেশে। ক্ষণে ক্ষণে নিত্যনব বদল কোরো মূর্তি তব রঙ-ফেরানো মায়ার বেশে। কখনো বা জ্যোৎস্না-ভরা কখনো বা বাদল-ঝরা খেয়াল তোমার কেঁদে হেসে। যেই হাওয়াতে হেলাভরে মিলিয়ে যাবে দিগন্তরে সেই হাওয়াতেই ফিরে ফিরে আসবে ভেসে। কঠিন মাটি বানের জলে যায় যে বয়ে, শৈলপাষাণ যায় তো ক্ষ'য়ে। কালের ঘায়ে সেই তো মরে অটল বলের গর্বভরে থাকতে যে চায় অচল হয়ে। জানে যারা চলার ধারা নিত্য থাকে নূতন তারা, হারায় যারা রয়ে রয়ে। ভালোবাসা, তোমারে তাই মরণ দিয়ে বরিতে চাই, চঞ্চলতার লীলা তোমার রইব সয়ে।