যখন দেখা দাও নি, রাধা, তখন বেজেছিল বাঁশি ! এখন চোখে চোখে চেয়ে সুর যে আমার গেল ভাসি ! তখন নানা তানের ছলে ডাক ফিরেছে জলে স্থলে, এখন আমার সকল কাঁদা রাধার রূপে উঠল হাসি ।।
যতবার আলো জ্বালাতে চাই নিবে যায় বারে বারে। আমার জীবনে তোমার আসন গভীর অন্ধকারে। যে লতাটি আছে শুকায়েছে মূল কুঁড়ি ধরে শুধু, নাহি ফোটে ফুল, আমার জীবনে তব সেবা তাই বেদনার উপহারে। পূজাগৌরব পুণ্যবিভব কিছু নাহি, নাহি লেশ, এ তব পূজারী পরিয়া এসেছে লজ্জার দীন বেশ। উৎসবে তার আসে নাই কেহ, বাজে নাই বাঁশি, সাজে নাই গেহ-- কাঁদিয়া তোমায় এনেছে ডাকিয়া ভাঙা মন্দির -দ্বারে।