বিদায় করেছ যারে নয়ন-জলে, এখন ফিরাবে তারে কিসের ছলে গো॥ আজি মধু সমীরণে নিশীথে কুসুমবনে তারে কি পড়েছে মনে বকুলতলে॥ সে দিনও তো মধুনিশি প্রাণে গিয়েছিল মিশি, মুকুলিত দশ দিশি কুসুমদলে। দুটি সোহাগের বাণী যদি হত কানাকানি যদি ঐ মালাখানি পরাতে গলে। এখন ফিরাবে তারে কিসের ছলে গো মধুনিশি পূর্ণিমার ফিরে আসে বার বার, সে জন ফেরে না আর যে গেছে চলে ছিল তিথি অনকূল, শুধু নিমেষের ভুল-- চিরদিন তৃষাকুল পরান জ্বলে। এখন ফিরাবে তারে কিসের ছলে গো। ।
মোর স্বপন-তরীর কে তুই নেয়ে। লাগল পালে নেশার হাওয়া, পাগল পরান চলে গেয়ে। আমায় ভুলিয়ে দিয়ে যা তোর দুলিয়ে দিয়ে না, ও তোর সুদূর ঘাটে চল্ রে বেয়ে। আমার ভাবনা তো সব মিছে, আমার সব পড়ে থাক্ পিছে। তোমারঘোমটা খুলে দাও তোমার নয়ন তুলে চাও, দাও হাসিতে মোর পরান ছেয়ে॥