রয় যে কাঙাল শূন্য হাতে, দিনের শেষে দেয় সে দেখা নিশীথরাতে স্বপনবেশে॥ আলোয় যারে মলিনমুখে মৌন দেখি আঁধার হলে আঁখিতে তার দীপ্তি একি-- বরণমালা কে যে দোলায় তাহার কেশে॥ দিনের বীণায় যে ক্ষীণ তারে ছিল হেলা ঝঙ্কারিয়া ওঠে যে তাই রাতের বেলা। তন্দ্রাহারা অন্ধকারের বিপুল গানে মন্দ্রি ওঠে সারা আকাশ কী আহ্বানে-- তারার আলোয় কে চেয়ে রয় নির্নিমেষে॥
দিয়ে গেনু বসন্তের এই গানখানি-- বরষ ফুরায়ে যাবে, ভুলে যাবে জানি॥ তবু তো ফাল্গুনরাতে এ গানের বেদনাতে আঁখি তব ছলোছলো, এই বহু মানি॥ চাহি না রহিতে বসে ফুরাইলে বেলা, তখনি চলিয়া যাব শেষ হবে খেলা। আসিবে ফাল্গুন পুন, তখন আবার শুনো নব পথিকেরই গানে নূতনের বাণী।