চিঁড়েতন হর্তন ইস্কাবন অতি সনাতন ছন্দে কর্তেছে নর্তন। কেউ বা ওঠে কেউ পড়ে, কেউ বা একটু নাহি নড়ে, কেউ শুয়ে শুয়ে ভুঁয়ে করে কালকর্তন।। নাহি কহে কথা কিছু– একটু না হাসে, সামনে যে আসে চলে তারি পিছু পিছু। বাঁধা তার পুরাতন চালটা, নাই কোনো উল্টা-পাল্টা– নাই পরিবর্তন।।
দিন অবসান হল। আমার আঁখি হতে অস্তরবির আলোর আড়াল তোলো ॥ অন্ধকারের বুকের কাছে নিত্য-আলোর আসন আছে, সেথায় তোমার দুয়ারখানি খোলো ॥ সব কথা সব কথার শেষে এক হয়ে যাক মিলিয়ে এসে। স্তব্ধ বাণীর হৃদয় মাঝে গভীর বাণী আপনি বাজে, সেই বাণীটি আমার কানে বোলো ॥
ও নিঠুর, আরো কি বাণ তোমার তূণে আছে? তুমি মর্মে আমায় মারবে হিয়ার কাছে ॥ আমি পালিয়ে থাকি, মুদি আঁখি, আঁচল দিয়ে মুখ যে ঢাকি গো-- কোথাও কিছু আঘাত লাগে পাছে ॥ আমি মারকে তোমার ভয় করেছি ব'লে তাই তো এমন হৃদয় ওঠে জ্বলে। যে দিন সে ভয় ঘুচে যাবে সে দিন তোমার বাণ ফুরাবে গো-- মরণকে প্রাণ বরণ করে বাঁচে ॥