আমার শেষ রাগিণীর প্রথম ধুয়ো ধরলি রে কে তুই। আমার শেষ পেয়ালা চোখের জলে ভরলি রে কে তুই॥ দূরে পশ্চিমে ওই দিনের পারে অস্তরবির পথের ধারে রক্তরাগের ঘোমটা মাথায় পরলি রে কে তুই॥ সন্ধ্যাতারায় শেষ চাওয়া তোর রইল কি ওই-যে। সন্ধ্যা-হাওয়ায় শেষ বেদনা বইল কি ওই-যে। তোর হঠাৎ-খসা প্রাণের মালা ভরল আমার শূন্য ডালা-- মরণপথের সাথি আমায় করলি রে কে তুই॥
তারে দেখাতে পারি নে কেন প্রাণ খুলে গো। বুঝাতে পারি নে হৃদয়বেদনা ॥ কেমনে সে হেসে চলে যায়, কোন্ প্রাণে ফিরেও না চায়-- এত সাধ এত প্রেম করে অপমান॥ এত ব্যথাভরা ভালোবাসা কেহ দেখে না, প্রাণে গোপনে রহিল। এ প্রেম কুসুম যদি হ'ত প্রাণ হতে ছিঁড়ে লইতাম, তার চরণে করিতাম দান। বুঝি সে তুলে নিত না, শুকাতো অনাদরে, তবু তার সংশয় হ'ত অবসান॥