সম্পাদক মহাশয় আপনি ব্যায়ামচর্চা সম্বন্ধে যাহা বলিয়াছেন সে বিষয়ে কাহারও দ্বিরুক্তি করিবার সম্ভাবনা নাই, ক্ষুদ্রবুদ্ধিবশত আমার মনে দু-একটা প্রশ্নোদয় হইয়াছে। সংশয় দূর করিয়া দিবেন।
গীতাঞ্জলির কয়েকটি গানের ছন্দ সম্বন্ধে কৈফিয়ত চেয়েছ। গোড়াতেই বলে রাখা দরকার গীতাঞ্জলিতে এমন অনেক কবিতা আছে যার ছন্দোরক্ষার বরাত দেওয়া হয়েছে গানের সুরের 'পরে। অতএব, যে-পাঠকের ছন্দের কান আছে তিনি গানের খাতিরে এর মাত্রা কম-বেশি নিজেই দুরন্ত করে নিয়ে পড়তে পারেন, যাঁর নেই তাঁকে ধৈর্য অবলম্বন করতে হবে। ১। "নব নব রূপে এসো প্রাণে'-- এই গানের অন্তিম পদগুলির কেবল অন্তিম দুটি অক্ষরের দীর্ঘহ্রস্ব স্বরের সম্মান স্বীকৃত হয়েছে। যথা "প্রাণে' "গানে' ইত্যাদি। একটিমাত্র পদে তার ব্যতিক্রম আছে। এসো দুঃখে সুখে, এসো মর্মে-- এখানে "সুখে'র এ-কারকে অবাঙালি রীতিতে দীর্ঘ করা হয়েছে। "সৌখ্যে' কথাটা দিলে বলবার কিছু থাকত না। তবু সেটাতে রাজি হই নি, মানুষ চাপা দেওয়ার চেয়ে মোটর ভাঙা ভালো। বৃষ্টি পড়ে- টাপুর টুপুর, নদেয় এল- বা- ন, শিবু ঠাকুরের বিয়ে- হবে- তিন কন্যে দা- ন। বৃষ্টি পড়ছে টাপুর টুপুর, নদেয় আসছে বন্যা, শিবু ঠাকুরের বিবাহ হচ্ছে, দান হবে তিন কন্যা। মা আমায় ঘুরাবি কত যেন। চোখবাঁধা বলদের মতো। হে মাতা আমারে ঘুরাবি কতই চক্ষুবদ্ধ বৃষের মতোই। মহাভারতের কথা অমৃতসমান, কাশীরাম দাস কহে শুনে পুণ্যবান্। নৃত্য। শুধু বি । লানো লা । বণ্য ছন্দ। নৃত্য শুধু লাবণ্যবিলানো ছন্দ সংগীতসুধা নন্দনে (র) সে আলিম্পনে। সংগী । ত সুধা । নন্দ । নের সে আ । লিম্পনে। সংগীতসুধা নন্দনেরি আলিম্পনে