মহামায়া
Stories
মহামায়া এবং রাজীবলোচন উভয়ে নদীর ধারে একটা ভাঙা মন্দিরে সাক্ষাৎ করিল।
মহামায়া কোনো কথা না বলিয়া তাহার স্বাভাবিক গম্ভীর দৃষ্টি ঈষৎ ভর্ৎসনার ভাবে রাজীবের প্রতি নিক্ষেপ করিল। তাহার মর্ম এই, তুমি কী সাহসে আজ অসময়ে আমাকে এখানে আহ্বান করিয়া আনিয়াছ। আমি এ পর্যন্ত তোমার সকল কথা শুনিয়া আসিতেছি বলিয়াই তোমার এতদূর স্পর্ধা বাড়িয়া উঠিয়াছে?
আরো দেখুন
বিজ্ঞানী
Stories
দাদামশায়, নীলমণিবাবুকে তোমার এত কেন ভালো লাগে আমি তো বুঝতে পারি নে।
এই প্রশ্নটা পৃথিবীর সবচেয়ে শক্ত প্রশ্ন, এর ঠিক উত্তর ক'জন লোকে দিতে পারে।
আরো দেখুন
পুরোনো বাড়ি
Stories
অনেক কালের ধনী গরিব হয়ে গেছে, তাদেরই ঐ বাড়ি।
দিনে দিনে ওর উপরে দুঃসময়ের আঁচড় পড়ছে।
আরো দেখুন
হে মোর দেবতা
Verses
       হে মোর দেবতা, ভরিয়া এ দেহ প্রাণ
       কী অমৃত তুমি চাহ করিবারে পান।
             আমার নয়নে তোমার বিশ্বছবি
             দেখিয়া লইতে সাধ যায় তব কবি,
             আমার মুগ্ধ শ্রবণে নীরব রহি
                 শুনিয়া লইতে চাহ আপনার গান।
              হে মোর দেবতা, ভরিয়া এ দেহ প্রাণ
              কী অমৃত তুমি চাহ করিবারে পান।
                আমার চিত্তে তোমার সৃষ্টিখানি
               রচিয়া তুলিছে বিচিত্র এক বাণী।
                 তারি সাথে প্রভু মিলিয়া তোমার প্রীতি
                 জাগায়ে তুলিছে আমার সকল গীতি,
                 আপনারে তুমি দেখিছ মধুর রসে
                    আমার মাঝারে নিজেরে করিয়া দান।
                হে মোর দেবতা, ভরিয়া এ দেহ প্রাণ
                কী অমৃত তুমি চাহ করিবারে পান।
আরো দেখুন
আমরা নূতন প্রাণের
Songs
            আমরা      নূতন প্রাণের চর    হা হা।
        আমরা থাকি পথে ঘাটে,    নাই আমাদের ঘর    হা হা॥
    নিয়ে পক্ক পাতার পুঁজি    পালাবে শীত, ভাবছ বুঝি গো?
ও-সব      কেড়ে নেব, উড়িয়ে দেব    দখিন হাওয়ার 'পর হা হা॥
        তোমায়      বাঁধব নূতন ফুলের মালায়
                বসন্তের এই বন্দীশালায়।
    জীর্ণ জরার ছদ্মরূপে    এড়িয়ে যাবে চুপে চুপে?
তোমার      সকল ভূষণ ঢাকা আছে,    নাই যে অগোচর গো॥
আরো দেখুন
তোতাকাহিনী
Stories
এক-যে ছিল পাখি। সে ছিল মূর্খ। সে গান গাহিত, শাস্ত্র পড়িত না। লাফাইত, উড়িত, জানিত না কায়দাকানুন কাকে বলে।
রাজা বলিলেন, 'এমন পাখি তো কাজে লাগে না, অথচ বনের ফল খাইয়া রাজহাটে ফলের বাজারে লোকসান ঘটায়।'
আরো দেখুন
ঘাটের কথা
Stories
পাষাণে ঘটনা যদি অঙ্কিত হইত তবে কতদিনকার কত কথা আমার সোপানে সোপানে পাঠ করিতে পারিতে। পুরাতন কথা যদি শুনিতে চাও, তবে আমার এই ধাপে বইস; মনোযোগ দিয়া জলকল্লোলে কান পাতিয়া থাকো, বহুদিনকার কত বিস্মৃত কথা শুনিতে পাইবে।
আমার আর-একদিনের কথা মনে পড়িতেছে। সেও ঠিক এইরূপ দিন। আশ্বিন মাস পড়িতে আর দুই-চারি দিন বাকি আছে। ভোরের বেলায় অতি ঈষৎ মধুর নবীন শীতের বাতাস নিদ্রোত্থিতের দেহে নূতন প্রাণ আনিয়া দিতেছে। তরু-পল্লব অমনি একটু একটু শিহরিয়া উঠিতেছে।
আরো দেখুন