36
Verses
THE DAY GREW dim. The early evening star faltered near the edge of a grey lonely sky.
        I looked back and felt that the road lying behind me was infinitely removed; traced through my life, it had only served for a single journey and was never to be re-travelled.
        The long story of my coming hither lies there dumb, in one meandering line of dust stretching from the morning hilltop to the brink of bottomless night.
        I sit alone, and wonder if this road is like an instrument waiting to give up the day's lost voices in music when touched by divine fingers at nightfall.
আরো দেখুন
11
Verses
MY EYES HAVE lost their sleep, in watching; yet if I do not meet thee still it is sweet to watch.
My heart sits in the shadow of the rains waiting for thy love; if she is deprived still it is sweet to hope.
They walk away in their different paths leaving me behind; if I am alone still it is sweet to listen for thy footsteps.
The wistful face of the earth weaving its autumn mists wakens longing in my heart; if it is in vain still it is sweet to feel the pain of longing.
আরো দেখুন
11
Verses
LET MY LOVE, like sunlight, surround you
and yet give you illumined freedom.
আরো দেখুন
The Patriot
Stories
I AM SURE that Chitragupta, who keeps strict record at the gate of Death, must have noted down in big letters accusations against me, which had escaped my attention altogether. On the other hand many of my sins, that have passed unnoticed by others, loom large in my own memory. The story of my transgression, that I am going to relate, belongs to the latter kind, and I hope that a frank confession of it, before it is finally entered in the Book of Doom, may lessen its culpability.
It all happened yesterday afternoon, on a day of festival for the Jains in our neighbourhood. I was going out with my wife, Kalika, to tea at the house of my friend Nayanmohan.
আরো দেখুন
জীবিত ও মৃত
Stories
রানীহাটের জমিদার শারদাশংকরবাবুদের বাড়ির বিধবা বধূটির পিতৃকুলে কেহ ছিল না; সকলেই একে একে মারা গিয়াছে। পতিকুলেও ঠিক আপনার বলিতে কেহ নাই, পতিও নাই পুত্রও নাই। একটি ভাশুরপো, শারদাশংকরের ছোটো ছেলেটি, সেই তাহার চক্ষের মণি। সে জন্মিবার পর তাহার মাতার বহুকাল ধরিয়া শক্ত পীড়া হইয়াছিল, সেইজন্য এই বিধবা কাকি কাদম্বিনীই তাহাকে মানুষ করিয়াছে। পরের ছেলে মানুষ করিলে তাহার প্রতি প্রাণের টান আরো যেন বেশি হয়, কারণ তাহার উপরে অধিকার থাকে না; তাহার উপরে কোনো সামাজিক দাবি নাই, কেবল স্নেহের দাবি-- কিন্তু কেবলমাত্র স্নেহ সমাজের সমক্ষে আপনার দাবি কোনো দলিল অনুসারে সপ্রমাণ করিতে পারে না এবং চাহেও না, কেবল অনিশ্চিত প্রাণের ধনটিকে দ্বিগুণ ব্যাকুলতার সহিত ভালোবাসে।
বিধবার সমস্ত রুদ্ধ প্রীতি এই ছেলেটির প্রতি সিঞ্চন করিয়া একদিন শ্রাবণের রাত্রে কাদম্বিনীর অকস্মাৎ মৃত্যু হইল। হঠাৎ কী কারণে তাহার হৃৎস্পন্দন স্তব্ধ হইয়া গেল-- সময় জগতের আর-সর্বত্রই চলিতে লাগিল, কেবল সেই স্নেহকাতর ক্ষুদ্র কোমল বক্ষটির ভিতর সময়ের ঘড়ির কল চিরকালের মতো বন্ধ হইয়া গেল।
আরো দেখুন
খেলা-ভোলা
Verses
তুই কি ভাবিস, দিনরাত্তির
          খেলতে আমার মন?
কক্‌খনো তা সত্যি না, মা,--
          আমার কথা শোন্‌।
সেদিন ভোরে দেখি উঠে
বৃষ্টিবাদল গেছে ছুটে,
রোদ উঠেছে ঝিলমিলিয়ে--
          বাঁশের ডালে ডালে;
ছুটির দিনে কেমন সুরে
পুজোর সানাই বাজছে দূরে,
তিনটে শালিখ ঝগড়া করে
          রান্নাঘরের চালে;--
খেলনাগুলো সামনে মেলি'
কী যে খেলি, কী যে খেলি,
সেই কথাটাই সমস্তখন
          ভাবনু আপন মনে।
লাগল না ঠিক কোনো খেলাই,
কেটে গেল সারাবেলাই,
রেলিং ধরে রইনু বসে
          বারান্দাটার কোণে।
খেলা-ভোলার দিন, মা, আমার
          আসে মাঝে মাঝে।
সেদিন আমার মনের ভিতর
          কেমনতরো বাজে।
শীতের বেলায় দুই পহরে
দূরে কাদের ছাদের 'পরে
ছোট্ট মেয়ে রোদ্দুরে দেয়
          বেগনি রঙের শাড়ি।
চেয়ে চেয়ে চুপ করে রই,
তেপান্তরের পার বুঝি ঐ,
মনে ভাবি ঐখানেতেই
          আছে রাজার বাড়ি।
থাকত যদি মেঘে-ওড়া
পক্ষিরাজের বাচ্ছা ঘোড়া
তক্‌খুনি যে যেতেম তারে
          লাগাম দিয়ে কষে।
যেতে যেতে নদীর তীরে
ব্যাঙ্গমা আর ব্যাঙ্গমীরে
পথ শুধিয়ে নিতেম আমি
          গাছের তলায় বসে।
একেক দিন যে দেখেছি, তুই
          বাবার চিঠি হাতে
চুপ করে কী ভাবিস বসে
          ঠেস দিয়ে জানলাতে।
মনে হয় তোর মুখে চেয়ে
তুই যেন কোন্‌দেশের মেয়ে,
যেন আমার অনেক কালের
          অনেক দূরের মা।
কাছে গিয়ে হাতখানি ছুঁই
হারিয়ে-ফেলা মা যেন তুই,
মাঠ-পারে কোন্‌ বটের তলার
          বাঁশির সুরের মা।
খেলার কথা যায় যে ভেসে,
মনে ভাবি কোন্‌ কালে সে
কোন্‌ দেশে তোর বাড়ি ছিল
          কোন্‌ সাগরের কূলে।
ফিরে যেতে ইচ্ছে করে
অজানা সেই দ্বীপের ঘরে
তোমায় আমায় ভোরবেলাতে
          নৌকোতে পাল তুলে।
আরো দেখুন
চার অধ্যায়
Novels
এলার মনে পড়ে তার জীবনের প্রথম সূচনা বিদ্রোহের মধ্যে। তার মা মায়াময়ীর ছিল বাতিকের ধাত, তাঁর ব্যবহারটা বিচার-বিবেচনার প্রশস্ত পথ ধরে চলতে পারত না। বেহিসাবি মেজাজের অসংযত ঝাপটায় সংসারকে তিনি যখন-তখন ক্ষুব্ধ করে তুলতেন, শাসন করতেন অন্যায় করে, সন্দেহ করতেন অকারণে। মেয়ে যখন অপরাধ অস্বীকার করত, ফস করে বলতেন, মিথ্যে কথা বলছিস। অথচ অবিমিশ্র সত্যকথা বলা মেয়ের একটা ব্যসন বললেই হয়। এজন্যেই সে শাস্তি পেয়েছে সব-চেয়ে বেশি। সকল রকম অবিচারের বিরুদ্ধে অসহিষ্ণুতা তার স্বভাবে প্রবল হয়ে উঠেছে। তার মার কাছে মনে হয়েছে, এইটেই স্ত্রীধর্মনীতির বিরুদ্ধ।
একটা কথা সে বাল্যকাল থেকে বুঝেছে যে, দুর্বলতা অত্যাচারের প্রধান বাহন। ওদের পরিবারে যে-সকল আশ্রিত অন্নজীবী ছিল, যারা পরের অনুগ্রহ-নিগ্রহের সংকীর্ণ বেড়া-দেওয়া ক্ষেত্রের মধ্যে নিঃসহায়ভাবে আবদ্ধ তারাই কলুষিত করেছে ওদের পরিবারের আবহাওয়াকে, তারাই ওর মায়ের অন্ধ প্রভুত্বচর্চাকে বাধাবিহীন করে তুলেছে। এই অস্বাস্থ্যকর অবস্থার প্রতিক্রিয়ারূপেই ওর মনে অল্পবয়স থেকেই স্বাধীনতার আকাঙক্ষা এত দুর্দাম হয়ে উঠেছিল।
প্রহরশেষের আলোয় রাঙা
সেদিন চৈত্রমাস,
তোমার চোখে দেখেছিলাম
আমার সর্বনাশ।"
Upwards
Towards the peaks,
Towards the stars,
Towards the vast silence."
আরো দেখুন
কী দোষে বাঁধিলে আমায়
Songs
       কী দোষে বাঁধিলে আমায় , আনিলে কোথায়।
         পথহারা একাকিনী বনে অসহায়–
         রাখো রাখো রাখো , বাঁচাও আমায়।
         দয়া করো অনাথারে– কে আমার আছে–
         বন্ধনে কাতরতনু মরি যে ব্যথায়।
আরো দেখুন
একটা আষাঢ়ে গল্প
Stories
দূর সমুদ্রের মধ্যে একটা দ্বীপ। সেখানে কেবল তাসের সাহেব, তাসের বিবি, টেক্কা এবং গোলামের বাস। দুরি তিরি হইতে নহলা-দহলা পর্যন্ত আরো অনেক-ঘর গৃহস্থ আছে কিন্তু তাহারা উচ্চজাতীয় নহে।
টেক্কা সাহেব গোলাম এই তিনটেই প্রধান বর্ণ, নহলা-দহলারা অন্ত্যজ-- তাহাদের সহিত এক পঙ্‌ক্তিতে বসিবার যোগ্য নহে।
আরো দেখুন
6
Verses
ওগো আমার ভোরের চড়ুই পাখি,
একটুখানি আঁধার থাকতে বাকি
ঘুমঘোরের অল্প অবশেষে
শাসির 'পরে ঠোকর মারো এসে,
দেখ কোনো খবর আছে নাকি।
তাহার পরে কেবল মিছিমিছি
যেমন খুশি নাচের সঙ্গে
যেমন খুশি কেবল কিচিমিচি;
নির্ভীক ওই পুচ্ছ
সকল বাধা শাসন করে তুচ্ছ।
যখন প্রাতে দোয়েলরা দেয় শিস
কবির কাছে পায় তার বকশিশ;
সারা প্রহর একটানা এক পঞ্চম সুর সাধি
লুকিয়ে কোকিল করে কী ওস্তাদি--
সকল পাখি ঠেলে
কালিদাসের বাহবা সেই পেলে।
তুমি কেয়ার করো না তার কিছু,
মানো নাকো স্বরগ্রামের কোনো উঁচু নিচু।
কালিদাসের ঘরের মধ্যে ঢুকে
ছন্দভাঙা চেঁচামেচি
বাধাও কী কৌতুকে।
নবরত্নসভায় কবি যখন করে গান
তুমি তারি থামের মাথায় কী কর সন্ধান।
কবিপ্রিয়ার তুমি প্রতিবেশী,
সারা মুখর প্রহর ধ'রে তোমার মেশামেশি।
বসন্তেরই বায়না-করা
নয় তো তোমার নাট্য,
যেমন-তেমন নাচন তোমার--
নাইকো পারিপাট্য।
অরণ্যেরই গাহন-সভায় যাও না সেলাম ঠুকি,
আলোর সঙ্গে  গ্রাম্য ভাষায় আলাপ মুখোমুখি;
কী যে তাহার মানে
নাইকো অভিধানে--
স্পন্দিত ওই বক্ষটুকু তাহার অর্থ জানে।
ডাইনে বাঁয়ে ঘাড় বেঁকিয়ে কী কর মস্করা,
অকারণে সমস্ত দিন কিসের এত ত্বরা।
মাটির 'পরে টান,
ধুলায় কর স্নান--
এমনি তোমার অযত্নেরই সজ্জা
মলিনতা লাগে না তায়, দেয় না তারে লজ্জা।
বাসা বাঁধো রাজার ঘরের ছাদের কোণে--
লুকোচুরি নাইকো তোমার মনে।
অনিদ্রাতে যখন আমার কাটে দুখের রাত
আশা করি দ্বারে তোমার প্রথম চঞ্চুঘাত।
অভীক তোমার, চটুল তোমার,
সহজ প্রাণের বাণী
দাও আমারে আনি--
সকল জীবের দিনের আলো
আমারে লয় ডাকি,
ওগো আমার ভোরের চড়ুই পাখি।
আরো দেখুন
ওকে কেন কাঁদালি!
Songs
ওকে কেন কাঁদালি!              ও যে কেঁদে চলে যায়--
        ওর হাসিমুখ যে আর দেখা যাবে না॥
শূন্যপ্রাণে চলে গেল,    নয়নেতে অশ্রুজল--
        এ জনমে আর ফিরে চাবে না॥
দু দিনের এ বিদেশে                কেন এল ভালোবেসে,
        কেন নিয়ে গেল প্রাণে বেদনা।
হাসি খেলা ফুরালো রে,          হাসিব আর কেমনে!
        হাসিতে তার কান্নামুখ পড়ে যে মনে।
ডাক্‌ তারে একবার--   কঠিন নহে প্রাণ তার!--
        আর বুঝি তার সাড়া পাবে না॥
আরো দেখুন