×
Home
Artists
Verses
Songs
Novels
Stories
Plays
Essays
Others
Login
Login
×
Login
Signup
Email
Password
Forgot your password?
Log in
Or Continue With
Login With
Name
Email
Password
Confirm Password
Register
Or Continue With
Signup With
Home
Verses
Stray Birds
Stray Birds
Stray Birds (HOW FAR are you from me)
86
'HOW FAR are you from me, O Fruit?'
'I am hidden in your heart, O Flower.'
Rendition
Related Topics
বিজয়ী
Verses
তখন তারা দৃপ্ত বেগের বিজয়-রথে
ছুটছিল বীর মত্ত অধীর, রক্তধূলির পথবিপথে।
তখন তাদের চতুর্দিকেই রাত্রিবেলার প্রহর যত
স্বপ্নে-চলার পথিক-মতো,
মন্দগমন ছন্দে লুটায় মন্থর কোন্ ক্লান্ত বায়ে;
বিহঙ্গগান শান্ত তখন অন্ধ রাতের পক্ষছায়ে।
মশাল তাদের রুদ্রজ্বালায় উঠল জ্বলে--
অন্ধকারের ঊর্ধ্বতলে
বহ্নিদলের রক্তকমল ফুটল প্রবল দম্ভভরে;
দূর-গগনের স্তব্ধ তারা মুগ্ধ ভ্রমর তাহার 'পরে।
ভাবল পথিক-- এই যে তাদের মশাল-শিখা,
নয় সে কেবল দণ্ডপলের মরীচিকা।
ভাবল তারা-- এই শিখাটাই ধ্রুবজ্যোতির তারার সাথে
মৃত্যুহীনের দখিন হাতে
জ্বলবে বিপুল বিশ্বতলে।
ভাবল তারা এই শিখারই ভীষণ বলে
রাত্রি-রানীর দুর্গ-প্রাচীর দগ্ধ হবে,
অন্ধকারের রুদ্ধ কপাট দীর্ণ করে ছিনিয়ে লবে
নিত্যকালের বিত্তরাশি;
ধরিত্রীকে করবে আপন ভোগের দাসী।
ওই বাজে রে ঘণ্টা বাজে।
চমকে উঠেই হঠাৎ দেখে অন্ধ ছিল তন্দ্রামাঝে।
আপ্নাকে হায় দেখছিল কোন্ স্বপ্নাবেশে
যক্ষপুরীর সিংহাসনে লক্ষমণির রাজার বেশে;
মহেশ্বরের বিশ্ব যেন লুঠ করেছে অট্ট হেসে।
শূন্যে নবীন সূর্য জাগে
ওই যে তাহার বিশ্ব-চেতন কেতন-আগে
জ্বলছে নূতন দীপ্তিরতন তিমির-মথন শুভ্ররাগে;
মশাল-ভস্ম লুপ্তি-ধুলায় নিত্যদিনের সুপ্তি মাগে।
আনন্দলোক দ্বার খুলেছে, আকাশ পুলক-ময়--
জয় ভূলোকের, জয় দ্যুলোকের, জয় আলোকের জয়।
আরো দেখুন
তোমার কাছে এ বর মাগি
Verses
তোমার কাছে এ বর মাগি
মরণ হতে যেন জাগি
গানের সুরে।
যেমনি নয়ন মেলি, যেন
মাতার স্তন্যসুধা-হেন
নবীন জীবন দেয় না পূরে
গানের সুরে।
সেথায় তরু তৃণ যত
মাটির বাঁশি হতে ওঠে
গানের মতো।
আলোক সেথা দেয় গো আনি
আকাশের আনন্দবাণী,
হৃদয়-মাঝে বেড়ায় ঘুরে
গানের সুরে।
আরো দেখুন
নববর্ষা
Verses
হৃদয় আমার নাচে রে আজিকে
ময়ূরের মতো নাচে রে,হৃদয়
নাচে রে।
শত বরনের ভাব-উচ্ছ্বাস
কলাপের মতো করেছে বিকাশ,
আকুল পরান আকাশে চাহিয়া
উল্লাসে কারে যাচে রে।
হৃদয় আমার নাচে রে আজিকে
ময়ূরের মতো নাচে রে!
গুরু গুরু মেঘ গুমরি গুমরি
গরজে গগনে গগনে,গরজে
গগনে।
ধেয়ে চলে আসে বাদলের ধারা,
নবীন ধান্য দুলে দুলে সারা,
কুলায়ে কাঁপিছে কাতর কপোত,
দাদুরি ডাকিছে সঘনে।
গুরুগুরু মেঘ গুমরি গুমরি
গরজে গগনে গগনে।
নয়নে আমার সজল মেঘের
নীল অঞ্জন লেগেছে,নয়নে
লেগেছে।
নবতৃণদলে ঘনবনছায়ে
হরষ আমার দিয়েছি বিছায়ে,
পুলকিত নীপনিকুঞ্জে আজি
বিকশিত প্রাণ জেগেছে।
নয়নে সজল স্নিগ্ধ মেঘের
নীল অঞ্জন লেগেছে।
ওগো, প্রাসাদের শিখরে আজিকে
কে দিয়েছে কেশ এলায়ে,কবরী
এলায়ে?
ওগো, নবঘন নীলবাসখানি
বুকের উপর কে লয়েছে টানি?
তড়িৎ-শিখার চকিত আলোকে
ওগো, কে ফিরিছে খেলায়ে?
ওগো, প্রাসাদের শিখরে আজিকে
কে দিয়েছে কেশ এলায়ে?
ওগো, নদীকূলে তীরতৃণতলে
কে ব'সে অমল বসনে,শ্যামল
বসনে?
সুদূর গগনে কাহারে সে চায়?
ঘাট ছেড়ে ঘট কোথা ভেসে যায়?
নবমালতীর কচি দলগুলি
আনমনে কাটে দশনে।
ওগো, নদীকূলে তীরতৃণতলে
কে ব'সে শ্যামল বসনে?
ওগো, নির্জনে বকুল শাখায়
দোলায় কে আজি দুলিছে,দোদুল
দুলিছে?
ঝরকে ঝরকে ঝরিছে বকুল,
আঁচল আকাশে হতেছে আকুল,
উড়িয়া অলক ঢাকিছে পলক--
কবরী খসিয়া খুলিছে।
ওগো, নির্জনে বকুলশাখায়
দোলায় কে আজি দুলিছে?
বিকচকেতকী তটভূমি-'পরে
কে বেঁধেছে তার তরণী,তরুণ
তরণী?
রাশি রাশি তুলি শৈবালদল
ভরিয়া লয়েছে লোল অঞ্চল,
বাদলরাগিণী সজলনয়নে
গাহিছে পরানহরণী।
বিকচকেতকী তটভূমি-'পরে
বেঁধেছে তরুণ তরণী।
হৃদয় আমার নাচে রে আজিকে
ময়ূরের মতো নাচে রে,হৃদয়
নাচে রে।
ঝরে ঘনধারা নবপল্লবে,
কাঁপিছে কানন ঝিল্লির রবে,
তীর ছাপি নদী কলকল্লোলে
এল পল্লীর কাছে রে।
হৃদয় আমার নাচে রে আজিকে
ময়ূরের মতো নাচে রে।
আরো দেখুন
Please
Login
first to submit a rendition.
Click here
for help.