কল্যাণীয়াসু পাঠালে এ যে আমসত্ত্ব জানি গো জানি তার তত্ত্ব শুধু কি তাতে আমেরি রস রহে? যতন করি কোমল হাতেমিশায়ে দিলে তাহারি সাথে সে সুধারস দৃশ্য যাহা নহে। রসনা যবে বাহির হয়ে রস চয়নে রতা অন্তরেতে প্রবেশ করে নিবিড় মধুরতা।
তব দক্ষিণ হাতের পরশ কর নি সমর্পণ। লেখে আর মোছে তব আলো ছায়া ভাবনার প্রাঙ্গণে খনে খনে আলিপন। বৈশাখে কৃশ নদী পূর্ণ স্রোতের প্রসাদ না দিল যদি শুধু কুণ্ঠিত বিশীর্ণ ধারা তীরের প্রান্তে জাগালো পিয়াসি মন। যতটুকু পাই ভীরু বাসনার অঞ্জলিতে নাই বা উচ্ছলিল, সারা দিবসের দৈন্যের শেষে সঞ্চয় সে যে সারা জীবনের স্বপ্নের আয়োজন।