×
Home
Artists
Verses
Songs
Novels
Stories
Plays
Essays
Others
Login
Login
×
Login
Signup
Email
Password
Forgot your password?
Log in
Or Continue With
Login With
Name
Email
Password
Confirm Password
Register
Or Continue With
Signup With
Home
Verses
Fireflies
75
75 (the world suffers)
THE WORLD suffers most from the disinterested tyranny
of its well-wisher.
Rendition
Related Topics
অপরাজিত
Verses
ফিরাবে তুমি মুখ
ভেবেছ মনে আমারে দিবে দুখ?
আমি কি করি ভয়।
জীবন দিয়ে তোমারে প্রিয়ে, করিব আমি জয়।
বিঘ্নভাঙা যৌবনের ভাষা,
অসীম তার আশা,
বিপুল তার বল,
তোমার আঁখি-বিজুলি-ঘাতে হবে না নিষ্ফল।
বিমুখ মেঘ ফিরিয়া যায় বৈশাখের দিনে,
অরণ্যেরে যেন সে নাহি চিনে
ধরে না কুঁড়ি কানন জুড়ি, ফোটে না বটে ফুল,
মাটির তলে তৃষিত তরুমূল;
ঝরিয়া পড়ে পাতা,
বনস্পতি তবুও তুলি মাথা
নিঠুর তপে মন্ত্র জপে নীরব অনিমেষে
দহনজয়ী সন্ন্যাসীর বেশে।
দিনের পরে যায় রে দিন, রাতের পরে রাতি,
শ্রবণ রহে পাতি।
কঠিনতর যবে সে পণ দারুণ উপবাসে
এমনকালে হঠাৎ কবে আসে
উদার অকৃপণ
আষাঢ় মাসে সজল শুভখন;
পূর্বগিরি-আড়াল হতে বাড়ায় তার পাণি,
করিয়ো ক্ষমা, করিয়ো ক্ষমা, গুমরি উঠে বাণী,
নমিয়া পড়ে নিবিড় মেঘরাশি,
অশ্রুবারিবন্যা নামে ধরণী যায় ভাসি।
ফিরালে মোরে মুখ!
এ শুধু মোরে ভাগ্য করে ক্ষণিক কৌতুক।
তোমার প্রেমে আমার অধিকার
অতীত যুগ হতে সে জেনো লিখন বিধাতার।
অচল গিরিশিখর-'পরে সাগর করে দাবি,
ঝর্না পড়ে নাবি;
সুদূর দিক্রেখার পানে চায়,
অকূল অজানায়
শঙ্কাভরে তরল স্বরে কহে,
নহে গো, নহে নহে;
এড়ায়ে যাবে বলি
কত-না আঁকাবাঁকার পথে চলে সে ছলছলি;
বিপুলতর হয় সে ধারা, গভীরতর সুরে,
যতই আসে দূরে;
উদারহাসি সাগর সহে অবুঝ অবহেলা--
একদা শেষে পলাতকার খেলা
বক্ষে তার মিলায় কবে, মিলনে হয় সারা--
পূর্ণ হয় নিবেদনের ধারা।
আরো দেখুন
কেন
Verses
কেন গো এমন স্বরে বাজে তব বাঁশি,
মধুর সুন্দর রূপে কেঁদে ওঠে হিয়া,
রাঙা অধরের কোণে হেরি মধুহাসি
পুলকে যৌবন কেন উঠে বিকশিয়া।
কেন তনু বাহুডোরে ধরা দিতে চায়,
ধায় প্রাণ দুটি কালো আঁখির উদ্দেশে,
হায় যদি এত লজ্জা কথায় কথায়,
হায় যদি এত শ্রান্তি নিমেষে নিমেষে।
কেন কাছে ডাকে যদি মাঝে অন্তরাল,
কেন রে কাঁদায় প্রাণ যদি ছায়া,
আজ হাতে তুলে নিয়ে ফেলে দিবে কাল--
এরি তরে এত তৃষ্ঞা, এ কাহার মায়া।
মানবহৃদয় নিয়ে এত অবহেলা,
খেলা যদি, কেন হেন মর্মভেদী খেলা॥
আরো দেখুন
শেষ হিসাব
Verses
সন্ধ্যা হয়ে এল, এবার
সময় হল হিসাব নেবার।
যে দেব্তারে গড়েছিলেম,
দ্বারে যাঁদের পড়েছিলেম,
আয়োজনটা করেছিলেম
জীবন দিয়ে চরণ সেবার--
তাঁদের মধ্যে আজ সায়াহ্নে
কে বা আছেন এবং কে নেই,
কেই বা বাকি কেই বা ফাঁকি,
ছুটি নেব সেইটে জেনেই।
নাই বা জানলি হায় রে মূর্খ!
কী হবে তোর হিসাব সূক্ষ্ম!
সন্ধ্যা এল, দোকান তোলো,
পারের নৌকা তৈরি হল--
যত পার ততই ভোলো
বিফল সুখের বিরাট দুঃখ।
জীবনখানা খুললে তোমার
শূন্য দেখি শেষের পাতা--
কী হবে ভাই, হিসেব নিয়ে,
তোমার নয়কো লাভের খাতা।
আপনি আঁধার ডাকছে তোরে,
ঢাকছে তোমায় দয়া ক'রে।
তুমি তবে কেনই জ্বাল
মিট্মিটে ওই দীপের আলো!
চক্ষু মুদে থাকাই ভালো
শ্রান্ত, পথের প্রান্তে প'ড়ে।
জানাজানির সময় গেছে,
বোঝাপড়া কর্ রে বন্ধ।
অন্ধকারের স্নিগ্ধ কোলে
থাক্ রে হয়ে বধির অন্ধ।
যদি তোমায় কেউ না রাখে,
সবাই যদি ছেড়েই থাকে--
জনশূন্য বিশাল ভবে
একলা এসে দাঁড়াই তবে,
তোমার বিশ্ব উদার রবে
হাজার সুরে তোমায় ডাকে।
আঁধার রাতে নির্নিমেষে
দেখতে দেখতে যাবে দেখা,
তুমি একা জগৎ মাঝে,
প্রাণের মাঝে আরেক একা।
ফুলের দিনে যে মঞ্জরী
ফলের দিনে যাক সে ঝরি।
মরিস নে আর মিথ্যে ভেবে,
বসন্তেরই অন্তে এবে
যারা যারা বিদায় নেবে
একে একে যাক রে সরি।
হোক রে তিক্ত মধুর কণ্ঠ,
হোক রে রিক্ত কল্পলতা--
তোমার থাকুক পরিপূর্ণ
একলা থাকার সার্থকতা।
আরো দেখুন
Please
Login
first to submit a rendition.
Click here
for help.