THE EARLY autumn day is cloudless. The river is full to the brim, washing the naked roots of the tottering tree by the ford. The long narrow path, like the thirsty tongue of the village, dips down into the stream. My heart is full, as I look around me and see the silent sky and the flowing water, and feel that happiness is spread abroad, as simply as a smile on a child's face.
কাছের থেকে দেয় না ধরা, দূরের থেকে ডাকে তিন বছরের প্রিয়া আমার-- দুঃখ জানাই কাকে। কণ্ঠেতে ওর দিয়ে গেছে দখিন-হাওয়ার দান তিন বসন্তে দোয়েল শ্যামার তিন বছরের গান। তবু কেন আমারে ওর এতই কৃপণতা-- বারেক ডেকে দৌড়ে পালায়, কইতে না চায় কথা। তবু ভাবি, যাই কেন হোক অদৃষ্ট মোর ভালো, অমন সুরে ডাকে আমার মানিক আমার আলো। কপাল মন্দ হলে টানে আরো নীচের তলায়-- হৃদয়টি ওর হোক না কঠোর, মিষ্টি তো ওর গলায়। আলো যেমন চমকে বেড়ায় আমলকীর ওই গাছে তিন বছরের প্রিয়া আমার দূরের থেকে নাচে। লুকিয়ে কখন বিলিয়ে গেছে বনের হিল্লোল অঙ্গে উহার বেণুশাখার তিন ফাগুনের দোল। তবু ক্ষণিক হেলাভরে হৃদয় করি লুট শেষ না হতেই নাচের পালা কোন্খানে দেয় ছুট। আমি ভাবি এই বা কী কম, প্রাণে তো ঢেউ তোলে-- ওর মনেতে যা হয় তা হোক আমার তো মন দোলে। হৃদয় নাহয় নাই বা পেলাম মাধুরী পাই নাচে-- ভাবের অভাব রইল নাহয়, ছন্দটা তো আছে। বন্দী হতে চাই যে কোমল ওই বাহুবন্ধনে, তিন বছরের প্রিয়ার আমার নাই সে খেয়াল মনে। সোনার প্রভাত দিয়েছে ওর সর্বদেহ ছুঁয়ে শিউলি ফুলের তিন শরতের পরশ দিয়ে ধুয়ে। বুঝতে নারি আমার বেলায় কেন টানাটানি। ক্ষয় নাহি যার সেই সুধা নয় দিত একটুখানি। তবু ভাবি বিধি আমায় নিতান্ত নয় বাম, মাঝে মাঝে দেয় সে দেখা তারি কি কম দাম? পরশ না পাই, হরষ পাব চোখের চাওয়া চেয়ে-- রূপের ঝোরা বইবে আমার বুকের পাহাড় বেয়ে। কবি ব'লে লোকসমাজ আছে তো মোর ঠাঁই, তিন বছরের প্রিয়ার কাছে কবির আদর নাই। জানে না যে ছন্দে আমার পাতি নাচের ফাঁদ, দোলার টানে বাঁধন মানে দূর আকাশের চাঁদ। পলাতকার দল যত-সব দখিন-হাওয়ার চেলা আপনি তারা বশ মেনে যায় আমার গানের বেলা। ছোট্টো ওরই হৃদয়খানি দেয় না শুধু ধরা, ঝগড়ু বোকার বরণমালা গাঁথে স্বয়ম্বরা। যখন দেখি এমন বুদ্ধি, এমন তাহার রুচি, আমারে ওর পছন্দ নয় যায় সে লজ্জা ঘুচি। এমন দিনও আসবে আমার, আছি সে পথ চেয়ে, তিন বছরের প্রিয়া হবেন বিশ বছরের মেয়ে। স্বর্গ-ভোলা পারিজাতের গন্ধখানি এসে খ্যাপা হাওয়ায় বুকের ভিতর ফিরবে ভেসে ভেসে। কথায় যারে যায় না ধরা এমন আভাস যত মর্মরিবে বাদল-রাতের রিমিঝিমির মতো। সৃষ্টিছাড়া ব্যথা যত, নাই যাহাদের বাসা, ঘুরে ঘুরে গানের সুরে খুঁজবে আপন ভাষা। দেখবে তখন ঝগড়ু বোকা কী করতে বা পারে, শেষকালে সেই আসতে হবেই এই কবিটির দ্বারে।