নির্জন রাতে নিঃশব্দ চরণপাতে কেন এলে। দুয়ারে মম স্বপ্নের ধন-সম এ যে দেখি-- তব কণ্ঠের মালা এ কি গেছ ফেলে। জাগালে না শিয়রে দীপ জ্বেলে-- এলে ধীরে ধীরে নিদ্রার তীরে তীরে, চামেলির ইঙ্গিত আসে যে বাতাসে লজ্জিত গন্ধ মেলে॥ বিদায়ের যাত্রাকালে পুষ্প-ঝরা বকুলের ডালে দক্ষিণপবনের প্রাণে রেখে গেলে বল নি যে কথা কানে কানে-- বিরহাবারতা অরুণ-আভার আভাসে রাঙায়ে গেলে॥
সব দিবি কে সব দিবি পায়, আয় আয় আয়। ডাক পড়েছে ওই শোনা যায়, আয় আয় আয়॥ আসবে যে সে স্বর্ণরথে-- জাগবি কারা রিক্ত পথে পৌষ-রজনী তাহার আশায়, আয় আয় আয়॥ ক্ষণেক কেবল তাহার খেলা, হায় হায় হায়। তার পরে তার যাবার বেলা, হায় হায় হায়। চলে গেলে জাগবি যবে ধনরতন বোঝা হবে, বহন করা হবে-যে দায়, আয় আয় আয়॥