চিঁড়েতন হর্তন ইস্কাবন অতি সনাতন ছন্দে কর্তেছে নর্তন। কেউ বা ওঠে কেউ পড়ে, কেউ বা একটু নাহি নড়ে, কেউ শুয়ে শুয়ে ভুঁয়ে করে কালকর্তন।। নাহি কহে কথা কিছু– একটু না হাসে, সামনে যে আসে চলে তারি পিছু পিছু। বাঁধা তার পুরাতন চালটা, নাই কোনো উল্টা-পাল্টা– নাই পরিবর্তন।।
আমার ব্যথা যখন আনে আমায় তোমার দ্বারে তখন আপনি এসে দ্বার খুলে দাও, ডাকো তারে ॥ বাহুপাশের কাঙাল সে যে, চলেছে তাই সকল ত্যেজে, কাঁটার পথে ধায় সে তোমার অভিসারে ॥ আমার ব্যথা যখন বাজায় আমায় বাজি সুরে-- সেই গানের টানে পারো না আর রইতে দূরে। লুটিয়ে পড়ে সে গান মম ঝড়ের রাতের পাখি-সম, বাহির হয়ে এসো তুমি অন্ধকারে ॥
তারে দেহো গো আনি। ওই রে পুরায় বুঝি অন্তিম যামিনী॥ একটি শুনিব কথা, একটি শুনাব ব্যথা-- শেষবার দেখে নেব সেই মধুমুখানি॥ ওই কোলে জীবনের শেষ সাধ মিটিবে, ওই কোলে জীবনের শেষ স্বপ্ন ছুটিবে। জনমে পুরে নি যাহা আজ কি পুরিবে তাহা। জীবনের সব সাধ ফুরাবে এখনি?