×
Home
Artists
Verses
Songs
Novels
Stories
Plays
Essays
Others
Login
Login
×
Login
Signup
Email
Password
Forgot your password?
Log in
Or Continue With
Login With
Name
Email
Password
Confirm Password
Register
Or Continue With
Signup With
Home
Verses
Stray Birds
Stray Birds
Stray Birds (THE FOUNTAIN of death makes)
225
THE FOUNTAIN of death makes the still water of life play.
Rendition
Related Topics
ঘাটের পথে
Verses
ওরা চলেছে দিঘির ধারে।
ওই শোনা যায় বেণুবনছায়
কঙ্কণঝংকারে।
আমার চুকেছে দিবসের কাজ,
শেষ হয়ে গেছে জল ভরা আজ,
দাঁড়ায়ে রয়েছি দ্বারে।
ওরা চলেছে দিঘির ধারে।
আমি কোন্ ছলে যাব ঘাটে--
শাখা-থরথর পাতা-মরমর
ছায়া সুশীতল বাটে?
বেলা বেশি নাই, দিন হল শোধ--
ছায়া বেড়ে যায়, পড়ে আসে রোদ--
এ বেলা কেমনে কাটে।
আমি কোন্ ছলে যাব ঘাটে।
ওগো, কী আমি কহিব আর।
ভাবিস নে কেহ ভয় করি আমি
ভরা-কলসের ভার।
যা হোক তা হোক এই ভালোবাসি--
বহে নিয়ে যাই, ভরে নিয়ে আসি,
কতদিন কতবার।
ওগো, আমি কী কহিব আর।
এ কি শুধু জল নিয়ে আসা।
এই আনাগোনা কিসের লাগি যে
কী কব, কী আছে ভাষা!
কত-না দিনের আঁধারে আলোতে
বহিয়া এনেছি এই বাঁকা পথে
কত কাঁদা কত হাসা।
এ কি শুধু জল নিয়ে আসা।
আমি ডরি নাই ঝড়জল,
উড়েছে আকাশে উতলা বাতাসে
উদ্দাম অঞ্চল।
বেণুশাখা'পরে বারি ঝরঝরে,
এ কূলে ও কূলে কালো ছায়া পড়ে,
পথঘাট পিচ্ছল।
আমি ডরি নাই ঝড়জল।
আমি গিয়েছি আঁধার সাঁজে।
শিহরি শিহরি উঠে পল্লব
নির্জন বনমাঝে।
বাতাস থমকে, জোনাকি চমকে
ঝিল্লির সাথে ঝমকে ঝমকে
চরণে ভূষণ বাজে।
আমি গিয়েছি আঁধার সাঁজে।
যবে বুকে ভরি উঠে ব্যথা,
ঘরের ভিতরে না দেয় থাকিতে
অকারণ আকুলতা।
আপনার মনে একা পথে চলি,
কাঁখের কলসী বলে ছলছলি
জলভরা কলকথা--
যবে বুকে ভরি উঠে ব্যথা।
ওগো দিনে কতবার করে
ঘর-বাহিরের মাঝখানে রহি
ওই পথ ডাকে মোরে।
কুসুমের বাস ধেয়ে ধেয়ে আসে,
কপোতকূজন-করুণ আকাশে
উদাসীন মেঘ ঘোরে--
ওগো, দিনে কতবার করে।
আমি বাহির হইব বলে
যেন সারাদিন কে বসিয়া থাকে
নীল আকাশের কোলে!
তাই কানাকানি পাতায় পাতায়,
কালো লহরীর মাথায় মাথায়
চঞ্চল আলো দোলে--
আমি বাহির হইব বলে।
আজ ভরা হয়ে গেছে বারি।
আঙিনার দ্বারে চাহি পথপানে
ঘর ছেড়ে যেতে নারি।
দিনের আলোক ম্লান হয়ে আসে,
বধূগণ ঘাটে যায় কলহাসে
কক্ষে লইয়া ঝারি--
মোর ভরা হয়ে গেছে বারি।
আরো দেখুন
কল্যাণী
Verses
বিরল তোমার ভবনখানি
পুষ্পকাননমাঝে,
হে কল্যাণী নিত্য আছ
আপন গৃহকাজে।
বাইরে তোমার আম্রশাখে
স্নিগ্ধরবে কোকিল ডাকে,
ঘরে শিশুর কলধ্বনি
আকুল হর্ষভরে।
সর্বশেষের গানটি আমার
আছে তোমার তরে।
প্রভাত আসে তোমার দ্বারে,
পূজার সাজি ভরি,
সন্ধ্যা আসে সন্ধ্যারতির
বরণডালা ধরি।
সদা তোমার ঘরের মাঝে
নীরব একটি শঙ্খ বাজে,
কাঁকন-দুটির মঙ্গলগীত
উঠে মধুর স্বরে।
সর্বশেষের গানটি আমার
আছে তোমার তরে।
রূপসীরা তোমার পায়ে
রাখে পূজার থালা,
বিদুষীরা তোমার গলায়
পরায় বরমালা!
ভালে তোমার আছে লেখা
পুণ্যধামের রশ্মিরেখা,
সুধাস্নিগ্ধ হৃদয়খানি
হাসে চোখের 'পরে।
সর্বশেষের গানটি আমার
আছে তোমার তরে।
তোমার নাহি শীত বসন্ত,
জরা কি যৌবন--
সর্বঋতু সর্বকালে
তোমার সিংহাসন।
নিবে নাকো প্রদীপ তব,
পুষ্প তোমার নিত্য নব,
অচলা শ্রী তোমায় ঘেভ্রির
চির বিরাজ করে।
সর্বশেষের গানটি আমার
আছে তোমার তরে।
নদীর মতো এসেছিলে
গিরিশিখর হতে,
নদীর মতো সাগর-পানে
চল অবাধ স্রোতে।
একটি গৃহে পড়ছে লেখা
সেই প্রবাহের গভীর রেখা,
দীপ্ত শিরে পুণ্যশীতল
তীর্থসলিল ঝরে।
সর্বশেষের গানটি আমার
আছে তোমার তরে।
তোমার শান্তি পান্থজনে
ডাকে গৃহের পানে,
তোমার প্রীতি ছিন্ন জীবন
গেঁথে গেঁথে আনে।
আমার কাব্যকুঞ্জবনে
কত অধীর সমীরণে
কত যে ফুল কত আকুল
মুকুল খসে পড়ে--
সর্বশেষের শ্রেষ্ঠ যে গান
আছে তোমার তরে।
আরো দেখুন
14
Verses
ওঁ
শান্তিনিকেতন
রানী ও প্রশান্ত
বর্ষ পরে বর্ষ গেছে চ'লে
ছন্দ গাঁথিয়াছি আমি তোমাদের মিলনমঙ্গলে।
এবার দিনের অন্তে বিরল ভাষার আশীর্বাণী
রবির স্নেহের স্পর্শ আনি
পশ্চিমের ক্লান্ত রশ্মি হতে
যোগ দিল তোমাদের আনন্দিত গৃহের আলোতে।
কবি
আরো দেখুন
Please
Login
first to submit a rendition.
Click here
for help.