×
Home
Artists
Verses
Songs
Novels
Stories
Plays
Essays
Others
Login
Login
×
Login
Signup
Email
Password
Forgot your password?
Log in
Or Continue With
Login With
Name
Email
Password
Confirm Password
Register
Or Continue With
Signup With
Home
Verses
স্ফুলিঙ্গ
১৬৫
১৬৫ (batas shudhay balo to komol)
বাতাস শুধায়, "বলো তো, কমল,
তব রহস্য কী যে।'
কমল কহিল, "আমার মাঝারে
আমি রহস্য নিজে।'
Rendition
Related Topics
মুক্তি
Verses
ভোরের পাখি নবীন আঁখিদুটি
পুরানো মোর স্বপনডোর
ছিঁড়িল কুটিকুটি।
রুদ্ধ মন গগনে গেল খুলি,
বিজুলি হানি দৈববাণী
বক্ষে উঠে দুলি।
ঘাসের ছোঁওয়া তৃণশয়নছায়ে
মাটির যেন মর্মকথা বুলায়ে দিল গায়ে;
আমের বোল, ঝাউয়ের দোল,
ঢেউয়ের লুটিপুটি
মিলি সকলে কী কোলাহলে
বক্ষে এল জুটি।
ভোরের পাখি নবীন আঁখিদুটি
গুহাবিহারী ভাবনা যত
নিমেষে নিল লুটি।
কী ইঙ্গিতে আচম্বিতে
ডাকিল লীলাভরে
দুয়ারখোলা পুরানো খেলাঘরে--
যেখানে ব 'সে সবার কাছাকাছি
অজানা ভাবে অবুঝ গান
একদা গাহিয়াছি।
প্রাণের মাঝে ছুটে-চলার
খেপামি এল ছুটি,
লাভের লোভ, ক্ষতির ক্ষোভ
সকলি গেল টুটি।
ভোরের পাখি নবীন আঁখিদুটি
শুকতারাকে যেমনি ডাকে
প্রাণে সে উঠে ফুটি।
অরুণরাঙা চেতনা জাগে চিতে--
ঝুমকোলতা জানায় কথা
রঙিন রাগিণীতে।
মনের 'পরে খেলায় বায়ুবেগে
কত-যে মায়া-রঙের ছায়া
খেয়ালে-পাওয়া মেঘে;
বুলায় বুকে ম্যাগ্নোলিয়া
কৌতূহলী মুঠি,
অতি বিপুল ব্যাকুলতায়
নিখিলে জেগে উঠি।
আরো দেখুন
জাগরণ
Verses
কৃষ্ণপক্ষে আধখানা চাঁদ
উঠল অনেক রাতে,
খানিক কালো খানিক আলো
পড়ল আঙিনাতে।
ওরে আমার নয়ন, আমার
নয়ন নিদ্রাহারা,
আকাশ-পানে চেয়ে চেয়ে
কত গুনবি তারা।
সাড়া কারো নাই রে, সবাই
ঘুমায় অকাতরে।
প্রদীপগুলি নিবে গেল
দুয়ার-দেওয়া ঘরে।
তুই কেন আজ বেড়াস ফিরি
আলোয় অন্ধকারে।
তুই কেন আজ দেখিস চেয়ে
বনপথের পারে।
শব্দ কোথাও শুনতে কি পাস
মাঠে তেপান্তরে।
মাটি কোথাও উঠছে কেঁপে
ঘোড়ার পদভরে?
কোথাও ধুলো উড়ছে কি রে
কোনো আকাশ-কোণে।
আগুনশিখা যায় কি দেখা
দূরের আম্রবনে।
সন্ধ্যাবেলা তুই কি কারো
লিখন পেয়েছিলি।
বুকের কাছে লুকিয়ে রেখে
শান্তি হারাইলি?
নাচে রে তাই রক্ত নাচে
সকল দেহ-মাঝে,
বাজে রে তাই কী কথা তোর
পাঁজর জুড়ে বাজে।
আজিকে এই খণ্ড চাঁদের
ক্ষীণ আলোকের 'পরে
ব্যাকুল হয়ে অশান্ত প্রাণ
আঘাত করে মরে।
কী লুকিয়ে আছে ওরে,
কী রেখেছে ঢেকে--
কিসের কাঁপন কিসের আভাস
পাই যে থেকে থেকে।
ওরে, কোথাও নাই রে হাওয়া,
স্তব্ধ বাঁশের শাখা--
বালুতটের পাশে নদী
কালির বর্ণে আঁকা।
বনের 'পরে চেপে আছে
কাহার অভিশাপ--
ধরণীতল মূর্ছা গেছে
লয়ে আপন তাপ।
ওরে, হেথায় আনন্দ নেই--
পুরানো তোর বাড়ি,
ভাঙা দুয়ার বাদুড়কে ওই
দিয়েছে পথ ছাড়ি।
সন্ধ্যা হতে ঘুমিয়ে পড়ে
যে যেথা পায় স্থান--
জাগে না কেউ বীণা হাতে,
গাহে না কেউ গান।
হেথা কি তোর দুয়ারে কেউ
পৌঁছোবে আজ রাতে--
এক হাতে তার ধ্বজা তুলে,
আলো আর-এক হাতে?
হঠাৎ কিসের চঞ্চলতা
ছুটে আসবে বেগে,
গ্রামের পথে পাখিরা সব
গেয়ে উঠবে জেগে।
উঠবে মৃদঙ বেজে বেজে
গর্জি গুরুগুরু,
অঙ্গে হঠাৎ দেবে কাঁটা,
বক্ষ দুরুদুরু।
ওরে নিদ্রাবিহীন আঁখি,
ওরে শান্তিহারা,
আঁধার পথে চেয়ে চেয়ে
কার পেয়েছিস সাড়া।
আরো দেখুন
মেঘমালা
Verses
আসে অবগুণ্ঠিতা প্রভাতের অরুণ দুকূলে
শৈলতটমূলে,
আত্মদান অর্ঘ্য আনে পায়।
তপস্বীর ধ্যানে ভেঙে যায়,
গিরিরাজ কঠোরতা যায় ভুলি,
চরণের প্রান্ত হতে বক্ষে লয় তুলি
সজল তরুণ মেঘমালা।
কল্যাণে ভরিয়া উঠে মিলনের পালা।
অচলে চঞ্চলে লীলা,
সুকঠিন শিলা
মত্ত হয় রসে।
উদার দাক্ষিণ্য তার বিগলিত নির্ঝরে বরষে,
গায় কলোচ্ছল গান।
সে দাক্ষিণ্য গোপনের দান
এ মেঘমালারই।
এ বর্ষণ তারই
পর্বতের বাণী হয়ে উঠে জেগে--
নৃত্যবন্যাবেগে
বাধাবিঘ্ন চূর্ণ ক'রে
তরঙ্গের নৃত্যসাথে যুক্ত হয় অনন্ত সাগরে।
নির্মমের তপস্যা টুটিয়া
চলিল ছুটিয়া
দেশে দেশে প্রাণের প্রবাহ,
জয়ের উৎসাহ--
শ্যামলের মঙ্গল-উৎসবে
আকাশে বাজিল বীণা অনাহত রবে।
লঘুসুকুমার স্পর্শ ধীরে ধীরে
রুদ্রসন্ন্যাসীর স্তব্ধ নিরুদ্ধ শক্তিরে
দিল ছাড়া; সৌন্দর্যের বীর্যবলে
স্বর্গেরে করিয়া জয় মুক্ত করি দিল ধরাতলে।
আরো দেখুন
Please
Login
first to submit a rendition.
Click here
for help.