×
Home
Artists
Verses
Songs
Novels
Stories
Plays
Essays
Others
Login
Login
×
Login
Signup
Email
Password
Forgot your password?
Log in
Or Continue With
Login With
Name
Email
Password
Confirm Password
Register
Or Continue With
Signup With
Home
Verses
Fireflies
133
133 (you leave your)
You LEAVE your memory as a flame
to my lonely lamp of I
Rendition
Related Topics
ঝুলন
Verses
আমি পরানের সাথে খেলিব আজিকে
মরণখেলা
নিশীথবেলা।
সঘন বরষা, গগন আঁধার,
হেরো বারিধারে কাঁদে চারি ধার,
ভীষণ রঙ্গে ভবতরঙ্গে
ভাসাই ভেলা;
বাহির হয়েছি স্বপ্ন-শয়ন
করিয়া হেলা
রাত্রিবেলা।
ওগো, পবনে গগনে সাগরে আজিকে
কী কল্লোল,
দে দোল্ দোল্।
পশ্চাৎ হতে হা হা ক'রে হাসি
মত্ত ঝটিকা ঠেলা দেয় আসি,
যেন এ লক্ষ যক্ষশিশুর
অট্টরোল।
আকাশে পাতালে পাগলে মাতালে
হট্টগোল।
দে দোল্ দোল্।
আজি জাগিয়া উঠিয়া পরান আমার
বসিয়া আছে
বুকের কাছে।
থাকিয়া থাকিয়া উঠিছে কাঁপিয়া,
ধরিছে আমার বক্ষ চাপিয়া,
নিঠুর নিবিড় বন্ধনসুখে
হৃদয় নাচে;
ত্রাসে উল্লাসে পরান আমার
ব্যাকুলিয়াছে
বুকের কাছে।
হায়, এতকাল আমি রেখেছিনু তারে
যতনভরে
শয়ন'-পরে।
ব্যথা পাছে লাগে-- দুখ পাছে জাগে
নিশিদিন তাই বহু অনুরাগে
বাসরশয়ন করেছি রচন
কুসুম-থরে;
দুয়ার রুধিয়া রেখেছিনু তারে
গোপন ঘরে
যতনভরে।
কত সোহাগ করেছি চুম্বন করি
নয়নপাতে
স্নেহের সাথে।
শুনায়েছি তারে মাথা রাখি পাশে
কত প্রিয় নাম মৃদু মধুভাষে,
গুঞ্জরতান করিয়াছি গান
জ্যোৎস্নারাতে।
যা-কিছু মধুর দিয়েছিনু তার
দুখানি হাতে
স্নেহের সাথে।
শেষে সুখের শয়নে শ্রান্ত পরান
আলস-রসে
আবেশবশে।
পরশ করিলে জাগে না সে আর,
কুসুমের হার লাগে গুরুভার,
ঘুমে জাগরণে মিশি একাকার
নিশিদিবসে।
বেদনাবিহীন অসাড় বিরাগ
মরমে পশে
আবেশবশে।
ঢালি মধুরে মধুর বধূরে আমার
হারাই বুঝি,
পাই নে খুঁজি।
বাসরের দীপ নিবে নিবে আসে--
ব্যাকুল নয়নে হেরি চারি পাশে
শুধু রাশি রাশি শুষ্ক কুসুম
হয়েছে পুঁজি।
অতল স্বপ্নসাগরে ডুবিয়া
মরি যে যুঝি
কাহারে খুঁজি।
তাই ভেবেছি আজিকে খেলিতে হইবে
নূতন খেলা
রাত্রিবেলা।
মরণদোলায় ধরি রশিগাছি
বসিব দুজনে বড়ো কাছাকাছি,
ঝঞ্ঝা আসিয়া অট্ট হাসিয়া
মারিবে ঠেলা
আমাতে প্রাণেতে খেলিব দুজনে
ঝুলনখেলা
নিশীথবেলা।
দে দোল্ দোল্।
দে দোল্ দোল্।
এ মহাসাগরে তুফান তোল্।
বধূরে আমার পেয়েছি আবার--
ভরেছে কোল।
প্রিয়ারে আমার তুলেছে জাগায়ে
প্রলয়রোল।
বক্ষ-শোণিতে উঠেছে আবার
কী হিল্লোল!
ভিতরে বাহিরে জেগেছে আমার
কী কল্লোল!
উড়ে কুন্তল, উড়ে অঞ্চল,
উড়ে বনমালা বায়ুচঞ্চল,
বাজে কঙ্কণ বাজে কিঙ্কিণী
মত্ত-বোল।
দে দোল্ দোল্।
আয় রে ঝঞ্ঝা, পরান-বধূর
আবরণরাশি করিয়া দে দূর,
করি লুণ্ঠন অবগুণ্ঠন-
বসন খোল্।
দে দোল্ দোল্।
প্রাণেতে আমাতে মুখোমুখি আজ
চিনি লব দোঁহে ছাড়ি ভয়-লাজ,
বক্ষে বক্ষে পরশিব দোঁহে
ভাবে বিভোল।
দে দোল্ দোল্।
স্বপ্ন টুটিয়া বাহিরেছে আজ
দুটো পাগল।
দে দোল্ দোল্।
আরো দেখুন
দিদিমণি
Verses
দিদিমণি আঁট করে দিলে মোর দিন,
এক করে দিলে যেন ছিল যেটা তিন।
প্রহরে প্রহরে সব নিয়মেতে বাঁধা,
ডাক্তারি ফাঁদে এই জীবনটা আগাগোড়া ফাঁদা।
সারি সারি ওষুধের শিশি
খাড়া আছে তর্জনী তুলে দিবানিশি।
যদি তারি কোনো ফাঁকে তবু
সুস্থ লোকের চালে চলিতে সাহস করি কভু
চোখে তবে পড়ে সেটা তোমার তখুনি,
স্পর্ধা মানিয়া লয়ে চুপ করে শুনি যে বকুনি।
গ্ল্যাক্সো খাওয়াও তুমি গুনে গুনে চামচেতে মেপে,
বই খুলে বসি যদি দাও সেটা চেপে।
বলে, "পড়া থাক্-না!'
দিনটাকে ঢেকে রাখে সেবা-গাঁথা ঢাক্না॥
স্নানে গেছ, সেই ফাঁকে খাতা
টেনে নিয়ে লিখি এই যা'-তা'।
মিথ্যার রসে মিশে সত্যটা হলে উপাদেয়,
সাহিত্যে সেটা নয় হেয়।
গদ্যে যাহারে বলে মিথ্যে
সেটাই যে ছন্দের নৃত্যে
সত্যেরও বেশি পায় দাম--
এ কথাটা লিখে রাখিলাম॥
আরো দেখুন
বিদায়
Verses
ক্ষমা করো, ধৈর্য ধরো,
হউক সুন্দরতর
বিদায়ের ক্ষণ।
মৃত্যু নয়, ধ্বংস নয়,
নহে বিচ্ছেদের ভয়--
শুধু সমাপন।
শুধু সুখ হতে স্মৃতি,
শুধু ব্যথা হতে গীতি,
তরী হতে তীর,
খেলা হতে খেলাশ্রান্তি,
বাসনা হইতে শান্তি,
নভ হতে নীড়।
দিনান্তের নম্র কর
পড়ুক মাথার 'পর
আঁখি-'পরে ঘুম,
হৃদয়ের পত্রপুটে
গোপনে উঠুক ফুটে
নিশার কুসুম।
আরতির শঙ্খরবে
নামিয়া আসুক তবে
পূর্ণপরিণাম--
হাসি নয়, অশ্রু নয়,
উদার বৈরাগ্যময়
বিশাল বিশ্রাম।
প্রভাতে যে পাখি সবে
গেয়েছিল কলরবে
থামুক এখন।
প্রভাতে যে ফুলগুলি
জেগেছিল মুখ তুলি
মুদুক নয়ন।
প্রভাতে যে বায়ুদল
ফিরেছিল সচঞ্চল
যাক থেমে যাক।
নীরবে উদয় হোক
অসীম নক্ষত্রলোক
পরম নির্বাক্।
হে মহাসুন্দর শেষ
হে বিদায় অনিমেষ,
হে সৌম্য বিষাদ,
ক্ষণেক দাঁড়াও স্থির,
মুছায়ে নয়ননীর
করো আশীর্বাদ।
ক্ষণেক দাঁড়াও স্থির,
পদতলে নমি শির,
তব যাত্রাপথে,
নিষ্কম্প প্রদীপ ধরি
নিঃশব্দে আরতি করি
নিস্তব্ধ জগতে।
আরো দেখুন
Please
Login
first to submit a rendition.
Click here
for help.