কোন্ ছলনা এ যে নিয়েছে আকার, এর কাছে মানিবে কি হার। ধিক্ ধিক্ ধিক্। বীর তুমি বিশ্বজয়ী, নারী এ যে মায়াময়ী, পিঞ্জর রচিবে কি এ মরীচিকার। ধিক্ ধিক্ ধিক্। লজ্জা, লজ্জা, হায় এ কী লজ্জা, মিথ্যা রূপ মোর, মিথ্যা সজ্জা। এ যে মিছে স্বপ্নের স্বর্গ, এ যে শুধু ক্ষণিকের অর্ঘ্য, এই কি তোমার উপহার। ধিক্ ধিক্ ধিক্!
পথিক পরান, চল্, চল্ সে পথে তুই যে পথ দিয়ে গেল রে তোর বিকেলবেলার জুঁই॥ সে পথ বেয়ে গেছে যে তোর সন্ধ্যামেঘের সোনা, প্রাণের ছায়াবীথির তলে গানের আনাগোনা-- রইল না কিছুই॥ যে পথে তার পাপড়ি দিয়ে বিছিয়ে গেল ভুঁই, পথিক পরান, চল্, চল্ সে পথে তুই। অন্ধকারে সন্ধ্যাযূথীর স্বপনময়ী ছায়া উঠবে ফুটে তারার মতো কায়াবিহীন মায়া-- ছুঁই তারে না ছুঁই॥
পথ ভুলেছিস সত্যি বটে? সিধে রাস্তা দেখতে চাস? এমন জায়গায় পাঠিয়ে দেব, সুখে থাকবি বারো মাস। হাঃ হাঃ হাঃ, হাঃ হাঃ হাঃ! কেমন হে ভাই! কেমন সে ঠাঁই? মন্দ নহে বড়ো, এক দিন না এক দিন সবাই সেথায় হব জড়ো। হাঃ হাঃ হাঃ! আয় সাথে আয়, রাস্তা তোরে দেখিয়ে দিই গে তবে, আর তা হলে রাস্তা ভুলে ঘুরতে নাহি হবে। হাঃ হাঃ হাঃ!